সংকট সামাল দিতে বাকিতে এলপিজি আমদানির অনুমোদন দিল সরকার

ঢাকা, ১২ জানুয়ারি – সংকট সামাল দিতে সরকার বাকিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি আমদানির সুযোগ দিয়েছে। এখন থেকে দেশীয় ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটের মাধ্যমে এলপিজি আমদানি করা যাবে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারে জানিয়েছে, ক্রেডিটে আমদানি করা এলপিজিকে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হবে।
সরবরাহ ঘাটতির কারণে রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে কয়েক দিন ধরেই সংকট চলছে। সিলিন্ডারের আকার অনুযায়ী এলপিজির দাম ৩৫০ টাকা থেকে শুরু করে এক হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
এর ফলে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় রান্নার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরে গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য সিলিন্ডারে ভরা হয়।
এলপিজি আমদানির পর তা সংরক্ষণ, সিলিন্ডারে ভরা এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালন কার্যক্রম শেষ করতে স্থানীয় আমদানিকারকদের বেশ সময় লাগে।
এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এলপিজি সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণের আওতায় আমদানির জন্য এটিকে যোগ্য শিল্প কাঁচামাল হিসেবে ধরা হবে। এই ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৭০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর শিল্প কাঁচামাল আমদানিতে একই ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই সুবিধার তালিকায় রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজিও যুক্ত করা হলো।
এনএন/ ১২ জানুয়ারি ২০২৬









