ইউরোপ

পেজেশকিয়ান-নেতানিয়াহুকে ফোন দিলেন পুতিন

মস্কো, ১৪ জুন – ইরান-ইসারায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

শুক্রবার (১৩ জুন) টেলিফোনে কথা বলার বিষয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিন এক বিবৃতি দিয়েছেন।

এতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পুতিন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে টেলিফোন করেছিলেন। টেলিফোনে তিনি ইরানে ইসরায়েলের হামলায় নিহতদের পরিবার-স্বজনদের প্রতি আন্তরিক শোক জানিয়েছেন। ইরানের প্রেসিডেন্টকে তিনি বলেছেন, ইসরায়েলের এই হামলা জাতিসংঘের সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী।

একই দিন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকেও টেলিফোন করেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে উত্তেজনা আরও না বাড়াতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে যে উত্তেজনা শুরু হয়েছে, তা থামানোর জন্য মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে রাশিয়ার নাম প্রস্তাব করেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। তিনি বলেছেন, পরমাণু প্রকল্প ও অন্যান্য যেসব ইস্যু নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে- সেসব আলোচনা ও কূটনৈতিক পন্থায় সমাধান করা সম্ভব।

গত ১২ জুন দিনগত রাত হঠাৎ ইরানে হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ নামের এই অভিযানে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা, পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র ও আবাসিক স্থাপনায় হামলা চালায় ইহুদিবাদী সেনারা।

হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ বাঘেরি, দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডার হোসেইন সালামি, খাতাম আল-আনবিয়া সদরদপ্তরের কমান্ডার ও বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মেজর জেনারেল গোলাম আলি রশিদ ও ৬ জন পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অন্তত ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। হামলা এখনও অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলের হামলার পর পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে শুক্রবার রাতে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস-৩ নামে’ অভিযান শুরু করে ইরান। মিসাইল হামলা শুরু হতেই নিজের নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান ও উচ্চপদস্থ মন্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে মাটির নিচে বাংকারে আশ্রয় নিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
আইএ/ ১৪ জুন ২০২৫


Back to top button
🌐 Read in Your Language