রফতানি আয় ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২৪ জুন – দেশের রফতানি আয় বর্তমানের ৫০ থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলারের গণ্ডি পেরিয়ে ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, সম্ভাবনাময় কয়েকটি খাতকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, নীতিগত সহায়তা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে পারলে এই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে না।
মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বেসরকারি খাতগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা মূল্যায়ন গবেষণার ভিত্তিতে প্রস্তাবিত প্রকল্পের ডিপিপি উপস্থাপন ও কনসালটেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে,
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি থেকে উত্তরণের সব শর্ত পূরণ করেছে। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে উত্তরণের পর বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা। এজন্য তিনি শিল্প খাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি অভিযোজনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।
ইসিফোর জে প্রকল্পের বিষয়ে তিনি বলেন,
প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অন্যতম বড় দুর্বলতা। ভবিষ্যতে প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, চামড়া ও হালকা প্রকৌশল খাতে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কাঁচা পাট রফতানির তুলনায় পাটজাত পণ্য উৎপাদনে বেশি আয় সম্ভব উল্লেখ করে তিনি চীনের সঙ্গে যৌথ গবেষণার পরিকল্পনার কথা জানান।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের সমস্যা সমাধানে সর্বদা প্রস্তুত বলেও তিনি আশ্বাস প্রদান করেন। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন র্যাপিড চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।
এস এম/ ২৪ জুন ২০২৬









