ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এবার ৭০০ কোটি টাকার কোরবানির পশু বিক্রির আশা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২৮ জুন – মহামারি করোনার তাণ্ডবে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খামারিরা। যার প্রভাব এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি তারা। এরই মধ্যে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে গোখাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি। যার কারণে অনেকেই গবাদি পশু পালন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলার খামারগুলোতে কোরবানি যোগ্য যে পরিমাণ গরু, মহিষ ও ছাগল প্রস্তুত আছে, তা চাহিদার তুলনায় প্রায় ৫৯ হাজার কম। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোরবানির পশুর হাটগুলোতে অন্তত ৭০০ কোটি টাকার পশু বেচাকেনা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূলত যার গোয়ালে অন্তত ৫টি গরু-মহিষ আছে, তাকেই খামারি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সে বিবেচনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় খামারি আছেন ১২ হাজার ৪০০ জন। খামারগুলোতে দেশি, শাহিওয়াল ও ফ্রিজিয়ানসহ বিভিন্ন জাতের গরু লালন-পালন করা হচ্ছে।

খামারিরা জানান, মাস তিনেক আগেও প্রতি বস্তা (৪০ কেজি) ভূসির মূল্য ছিলো ১৩০০-১৪০০ টাকা। এখন সেই ভূসি কিনতে হচ্ছে ১৭৫০-১৮০০ টাকা দিয়ে। আর খৈল প্রতি বস্তার (৪০ কেজি) বাজারদর আগে ছিলো ১৪০০-১৫০০ টাকা। এখন খৈলের বস্তার দাম ২০০০ টাকা। এছাড়া ধানের গুড়ার দাম দ্বিগুণ হয়েছে।

অপর এক খামারি জানান, গোখাদ্যের দাম হু হু করে বাড়ছে। এতে করে গরু পালনে খরচও বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে গরুর ফার্মগুলো টিকে থাকা দায় হয়ে পড়বে। এ খাতকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন। অন্যথায় অনেক খামার বন্ধ হয়ে যাবে। তখন সংকট আরও তীব্র হবে।
সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এম এস, ২৮ জুন







