বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বাংলাদেশে স্থাপিত নোকিয়ার কারখানায় উৎপাদন শুরু ২৬ জুন

ঢাকা, ২২ জুন- অবশেষে বাংলাদেশে স্থাপিত কারখানায় মোবাইল হ্যান্ডসেট সংযোজন শুরু করতে যাচ্ছে নোকিয়া। শুরুতে নোকিয়া ৪.২ ও জি১০ এই দুই মডেলের স্মার্টফোন সংযোজনের মাধ্যমে ২৬ জুন হ্যান্ডসেটের আনুষ্ঠানিক উৎপাদনে যাচ্ছে নোকিয়া। ঈদুল আজহার আগে বাজারে এই দুই মডেলের ৩০ হাজার স্মার্টফোন বাজারে ছাড়তে চায় কোম্পানিটি। দেশের কারখানায় সংযোজনের ফলে গ্রাহকরা সাশ্রয়ী দামে মানসম্মত হ্যান্ডসেট পাবেন বলে আশা করছে নোকিয়া কর্তৃপক্ষ।

বিশ্বে মোবাইল ফোন বাজারের এক সময়ের শীর্ষ কোম্পানি নোকিয়া ২০১৭ সালের ২৪ মে গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে ৫ একর জায়গা বরাদ্দ নিয়ে কারখানা তৈরির কার্যক্রম শুরু করে। এটি যুক্তরাজ্যের ভাইব্র্যান্ট সফটওয়্যার এবং বাংলাদেশের ইউনিয়ন গ্রুপের যৌথ উদ্যোগ। সে সময় ভাইব্র্যান্ট ৪৫ মিলিয়ন ডলার বা ৩৮২ কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছিল, যেখানে সাইবার সিটি, ডেটা সেন্টার, মোবাইল এবং স্মার্ট ডিভাইসসহ এটিএম কার্ড, স্মার্টকার্ডসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের কথা জানিয়েছিল।

ইউনিয়ন গ্রুপের মোবাইল অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিভিশনের সিএমপিএল কোম্পানি দেশে দীর্ঘদিন ধরে নোকিয়ার আমদানি ও ডিস্ট্রিবিউশন করে আসছে। বিভিন্ন জটিলতার কারণে এত দিন হ্যান্ডসেট উৎপাদনে যেতে পারেনি নোকিয়ার কারখানা। অবশেষে চলতি বছরের মার্চে সব জটিলতা কাটিয়ে নতুন করে কাজ শুরুর প্রায় তিন মাসের মধ্যেই উৎপাদন শুরু করার জন্য তৈরি হয়ে যায় নোকিয়ার কারখানা। ছয়টি প্রডাকশন লাইনে প্রতিদিন ৮০০ ইউনিট হ্যান্ডসেট সংযোজনের সক্ষমতা রয়েছে গাজীপুরের কারখানায়।

সরকার স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোনের উৎপাদন ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক ছাড়সহ নানা সুবিধার বিপরীতে হ্যান্ডসেট আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোয় স্থানীয়ভাবে দেশি-বিদেশি কোম্পানিগুলোর কারখানা করার হিড়িক পড়ে যায়। ২০১৮ সালে দেশে কারখানা স্থাপন করে সেখানে সংযোজিত হ্যান্ডসেট বাজারে এনেছে ওয়ালটন, সিম্ফনি, স্যামসাং, আইটেল-ট্র্যানসান ও ফাইভস্টার। এই পাঁচ কোম্পানির পরে লাভা, ওকে মোবাইল, উইনস্টার, ভিভো, অপো, রিয়েলমি দেশে কারখানা করে। এ ছাড়া শাওমিসহ কয়েকটি ব্র্যান্ড দেশে কারখানা করার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে।

তথ্যসূত্র: দেশ রূপান্তর
এস সি/২২ জুন


Back to top button
🌐 Read in Your Language