এশিয়া

সহিংসতা চলছেই, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সাহায্য চাইল মিয়ানমারের বিক্ষোভকারীরা

নেপিডো, ২৯ মার্চ – জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে একের পর এক মানুষ মরছে মিয়ানমারে। সেখানে শেষকৃত্যেও গুলি ছুড়তে দ্বিধা করেনি জান্তা সরকারের সেনারা। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবারও ইয়াঙ্গুনে এক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে। আহতও হয়েছে বেশ কয়েকজন।

দেশটিতে এদিন মধ্যাঞ্চলীয় শহর বাগো, মিনহলা, খিন-ইউ, দক্ষিণাঞ্চলীয় মাওলামাইন, পূর্বের দেমোস এলাকায়ও ছোট ছোট বিক্ষোভ হয়েছে। দেশটির গণতন্ত্রপন্থি বিক্ষোভকারীরা সেনাশাসনবিরোধী লড়াইয়ে মিয়ানমারের বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সশস্ত্র অংশের সহযোগিতা চেয়েছে।

আরও পড়ুন : নিহতের শেষকৃত্যেও নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি

মিয়ানমারজুড়ে বিক্ষোভের অন্যতম প্রধান আয়োজকগোষ্ঠী জেনারেল স্ট্রাইক কমিটি অব ন্যাশনালিটিস (জিএসসিএন) ফেইসবুকে পোস্ট করা এক খোলা চিঠিতে ‘সেনাশাসনের বিরোধিতাকারী জনগণ, তরুণ, নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের সুরক্ষা’ নিশ্চিতে দেশটিতে সক্রিয় জাতিগত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সহযোগিতা চায়।

দেশটির একটি বিস্তৃত অংশ দুই ডজন সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে; গত কয়েকদিনে ওই গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সেনাবাহিনীর লড়াইয়ের তীব্রতাও বেড়েছে।

শনিবার কেএনইউ নিয়ন্ত্রিত একটি গ্রামে সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছে। কেএনইউ এর আগে বলেছিল, তারা সীমান্তের কাছে একটি সেনা পোস্টে হামলা চালিয়ে ১০ জনকে হত্যা করেছিল।

রোববার হপাকান্ত এলাকায় কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্মির (কেআইএ) সঙ্গেও সেনাবাহিনীর তুমুল লড়াই হয়েছে। তবে সেখানে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। কেএনইউ ও কেআইএ আগেই অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছিল।

মিয়ানমারের ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিকাল প্রিজনার্স জানিয়েছে ১ ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানের পর শুরু হওয়া আন্দোলনে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৬০ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। সোমবার স্থানীয় একটি টিভি চ্যানেলে রোববার রাতে আয়েইয়ারওয়াদি অঞ্চলের পাথেইন শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে একজন নিহত হয়েছে বলে জানায়।

সূত্র : আরটিভি
এন এইচ, ২৯ মার্চ

Back to top button