ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যানের জামানত ২৫ হাজার, সদস্যের ৫ হাজার টাকা

ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর- ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর জামানত ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে প্রার্থী ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের দেশে ও বিদেশে থাকা সম্পদের হিসাবও দিতে হবে।
বুধবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬-এর সংশোধনীতে এসব বিধান রেখে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্য পদে ৫ হাজার টাকা জামানত দিতে হবে। কোনো প্রার্থী প্রদত্ত মোট ভোটের ১৫ শতাংশের কম পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। এছাড়া চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের সীমা বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর ব্যয়ের সীমা ২ লাখ টাকা করা হয়েছে।
প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টকে নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নির্বাচনী ব্যয় পরিচালনা করতে হবে। ২০ হাজার টাকার ব্যয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে লেনদেন হিসেবে দেখানো যাবে না। প্রার্থী ও তার ওপর নির্ভরশীলদের দেশে-বিদেশে থাকা সম্পদের হিসাব হলফনামায় দিতে হবে। পাশাপাশি আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রমাণপত্রও দিতে হবে।
কাউকে হুমকি বা ভয়ভীতি দেখানোর মতো অপরাধ করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে। সংশোধিত বিধিমালায় সর্বোচ্চ সমান ভোট পাওয়া একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণের বিধানও বাতিল করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে।
এদিকে দৃষ্টি বা শারীরিক প্রতিবন্ধী ভোটার চাইলে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে একজন সহায়তাকারী সঙ্গে নিতে পারবেন। সহায়তাকারীর বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে। তবে ওই ব্যক্তি কোনো প্রার্থী, প্রার্থীর এজেন্ট, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হতে পারবেন না।
সহায়তাকারীকে ভোটারের পছন্দের বিষয়টি গোপন রাখার নির্দেশনা দিতে হবে। এ ধরনের ভোটারদের একটি তালিকাও সংরক্ষণ করবেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা। এছাড়া কিছু সংজ্ঞা পরিবর্তন এবং করণিক ভুল সংশোধনের মতো বিষয়ও সংশোধিত বিধিমালায় যুক্ত করা হয়েছে।
এস এম/ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬







