প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর: কৌশলগত সম্পর্ক শক্তিশালী করার প্রত্যাশা বেইজিংয়ের

বেইজিং, ২৩ জুন – চীনের দালিয়ান ঝুশুইজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট সেখানে পৌঁছায়।
বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ শক্তিশালী করার প্রত্যাশায় এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান যে দেশটির স্টেট কাউন্সিলের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সফর করছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম চীন সফর। সফরকালে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং জাতীয় গণকংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।
এ সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ান শহরে আয়োজিত সামার দাভোস ২০২৬ সম্মেলনেও অংশ নেবেন। চীন মনে করে বাংলাদেশ এবং চীন দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী। গত কয়েক বছরে দুই দেশের সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন ঘটেছে এবং রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের আওতায় দুই দেশ উচ্চমানের সহযোগিতা ত্বরান্বিত করতে কাজ করছে। বেইজিং আশা করছে এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বহুপাক্ষিক সমন্বয় আরও জোরালো হবে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক বিনিময় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৌশলগত অংশীদারত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন দুই দেশের নেতারা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর দুই দেশের ভবিষ্যতের সম্পর্কের পথরেখা তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এস এম/ ২৩ জুন ২০২৬









