ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ট্রাম্পের ৫ কঠিন শর্ত, না মানলে হামলার আশঙ্কা

মাস্কাট, ৮ ফেব্রুয়ারি – দীর্ঘ অপেক্ষার পর ওমানের রাজধানী মাস্কাটে পরোক্ষ আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্র তৈরির আগেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজের বিশাল বহর পাঠিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন সামরিক চাপের মুখে ইরানকে আলোচনায় বসতে রাজি করানো সম্ভব হলেও, ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেহরানকে পাঁচটি কঠিন শর্ত দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম মারিভ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে সমৃদ্ধকৃত ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া, ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো ধ্বংস করা, ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা ও উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করা এবং সিরিয়া, ইয়েমেন, ইরাক ও লেবাননে থাকা মিত্র সশস্ত্র বাহিনীগুলোকে সহায়তা প্রদান বন্ধ করা।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সংস্থা চ্যাথাম হাউসের পরিচালক ব্রোনওয়েন ম্যাডোক্স মনে করেন, ব্যালিস্টিক মিসাইল ধ্বংসের দাবিটি মেনে নেওয়া ইরানের জন্য অসম্ভব। তাঁর মতে এই মিসাইলগুলোই ইরানের একমাত্র রক্ষাকবচ, যা ছাড়া দেশটি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার মুখে সম্পূর্ণ অরক্ষিত হয়ে পড়বে।
বিশ্লেষকদের মতে এই শর্তগুলো এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন ইরান তা প্রত্যাখ্যান করে। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের অর্থ হতে পারে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা সামরিক হামলা।
এনএন/ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬









