প্রথম সিনেমার স্ক্রিনটেস্ট থেকে বাদ পড়েছিলেন রেডিও ঘোষক সৌমিত্র

কলকাতা, ১৫ নভেম্বর- দীর্ঘদিন লড়াই করে তবেই মাঠ ছাড়লেন বাঙালির প্রিয় অপু। বিনা যুদ্ধে সমর্পন করলেন না একচুলও। ৮৬ তে থামল জয়যাত্রা। শুনে অবাক মনে হলেও এই কিংবদন্তী অভিনেতা প্রথম সিনেমার স্ক্রিনটেস্ট থেকে বাদ পড়েছিলেন।
আরও পড়ুন: সৌমিত্রের আদি বাড়ি ছিল কুষ্টিয়ায়
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৯ জানুয়ারি। নাটকে হাতেখড়ি বাড়িতেই। ঠিক অপুর মতোই কম বয়সেই চলে আসা কলকাতায়। সেখানেই বাংলা সাহিত্যে হাতেখড়ি। এই সময়েই থিয়েটারের সঙ্গে একটা অবিচ্ছেদ্য নাড়ির যোগ তৈরি হয়। দাদু হাওড়া বোমার মামলায় জেল খেটেছিলেন। বাড়িতে এসেছিল সুভাষচন্দ্র বসু, বাঘাযতীনের মতো বিপ্লবীরা। কাজেই তার মনটা আজীবনই স্বদেশচেতনায় মগ্ন ছিল।
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় আজীবন থিয়েটার গুরু মানতেন শিশির ভাদুড়িকে। তার দেখানো পথকেই আজীবন পাথেয় মেনেছিলেন। সত্যজিতের কাছে আসার আগে অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রস্তুতিটা হয়েছিল শিশির ভাদুড়ির কাছে এসেই। জলসাঘর ছবির লোকেশানে এসে সত্যজিত রায়ের কাছাকাছি আসেন সৌমিত্র। অপুর সংসরা ছবি দিয়েই শুরু হয় সিনেমার মহাযাত্রা। এর আগে অবশ্য নীলাচলে মহাপ্রভুর মতো উল্লেখযোগ্য সিনেমার স্ক্রিনটেস্ট থেকে বাদ পড়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সেরা ১০ সিনেমা
শুধু সত্যজিৎ নন, তপন সিনহা, তরুণ মজুমদারদেরও প্রিয় অভিনেতা ছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় । পরিচালকদের সঙ্গে সম্পর্কের সেই রসায়ন শেষদিন পর্যন্ত বজায় ছিল।
সূত্র: কালের কন্ঠ
আর/০৮:১৪/১৫ নভেম্বর









