যথাযোগ্য মর্যাদায় দেশে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হচ্ছে

ঢাকা, ১০ জুন – যথাযোগ্য মর্যাদায় বুধবার বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হচ্ছে। প্রতিবছর ২৯ মে দিবসটি পালিত হলেও এ বছর ঈদের ছুটির কারণে ১০ জুন দেশে এই দিবস পালন করা হচ্ছে।
দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় শাহাদাতবরণকারী বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেছেন, বিশ্বশান্তি ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ। তিনি শান্তিরক্ষীদের সাহস ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। বিশ্বশান্তি রক্ষায় যারা আত্মত্যাগ করেছেন তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘে সর্বোচ্চসংখ্যক শান্তিরক্ষী পাঠানো দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। জাতিসংঘের তথ্য মতে, ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ এ তালিকায় প্রথম অবস্থানে ছিল।
১৯৮৮ সালে ইরাক ও ইরানে সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রথম মিশনে অংশ নেয়। এরপর ১৯৯৩ সালে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী এবং ১৯৮৯ সালে পুলিশ বাহিনী এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়।
এ পর্যন্ত বাংলাদেশের মোট ২ লাখ ৬ হাজার ৪৭৬ জন শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৪৩টি দেশে ৬৩টি মিশনে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ৯টি মিশনে ৪ হাজার ৪১২ জন নিয়োজিত আছেন।
শান্তি রক্ষার এই মহান ব্রত পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭৫ জন বীর সন্তান জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং আহত হয়েছেন ২৮৭ জন।
এনএন/ ১০ জুন ২০২৬









