
কানাডা অভিবাসীদের দেশ। পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে আসা মানুষ এখানে নিজের ভাষা, সংস্কৃতি আর উচ্চারণ নিয়েই প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, নেতৃত্বে গেছেন। অথচ স্কারবরো সাউথওয়েস্টের আসন্ন উপনির্বাচনে দুই বাংলাদেশি প্রার্থীকে ঘিরে আমাদের কমিউনিটির একাংশে ইংরেজি ভাষা ও উচ্চারণ বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। কে কত ভালো ইংরেজি বলেন, কার কথায় বাংলা টান বেশি, কে মঞ্চে কতটা সাবলীল, এসব দিয়েও তাঁদের যোগ্যতা মাপার চেষ্টা চলছে। প্রশ্ন হচ্ছে, একজন জনপ্রতিনিধির যোগ্যতা কি সত্যিই তাঁর ইংরেজি উচ্চারণ দিয়ে নির্ধারিত হয়?
রাজনীতিতে একটি জনগোষ্ঠীর শক্তি শুধু তার জনসংখ্যায় মাপা হয় না, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বেও মাপা হয়। সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিল, পার্লামেন্ট কিংবা সিটি হলে তাদের কতজন আছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। একটি শহরে লাখো মানুষ বসবাস করেও রাজনৈতিকভাবে প্রায় অদৃশ্য থাকতে পারেন। আবার সংখ্যায় ছোট একটি জনগোষ্ঠী সংগঠন, দূরদর্শিতা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে।
যুক্তরাজ্যের দিকে তাকালেই বিষয়টি বোঝা যায়। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। পাকিস্তানি অভিবাসী পরিবারের সন্তান সাদিক খান এখন লন্ডনের মেয়র। পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লুৎফুর রহমান নির্বাহী মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। ব্রিটিশ রাজনীতিতে দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূতদের নেতৃত্ব এখন আর ব্যতিক্রম নয়।
যুক্তরাষ্ট্রেও একই ছবি। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত জোহরান মামদানি। মার্কিন কংগ্রেসে ভারতীয় বংশোদ্ভূত একাধিক সদস্য রয়েছেন। নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলে বাংলাদেশি অভিবাসী পরিবারের সন্তান শাহানা হানিফ দায়িত্ব পালন করছেন। অভিবাসীদের সন্তানরা সেখানে এখন শুধু ভোটার নন, আইনসভা থেকে সিটি হল পর্যন্ত নেতৃত্বেও রয়েছেন।
কানাডার ছবিতো চোখের সামনে। টরন্টোর মেয়র অলিভিয়া চাও হংকং থেকে ১৩ বছর বয়সে কানাডায় এসেছিলেন। তিনিই টরন্টোর প্রথম এশীয় বংশোদ্ভূত মেয়র। সিটি কাউন্সিলে Lily Cheng, Parthi Kandavel, Neethan Shan, Ausma Malikসহ নানা অভিবাসী পটভূমির মানুষ রয়েছেন। অন্টারিও আইনসভায় Prabmeet Sarkaria, Vijay Thanigasalam, Stan Cho, Daisy Waiসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী থেকে উঠে আসা রাজনীতিকরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। British Columbia-তেও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত Ravi Kahlon, Niki Sharma, Jagrup Brar ও Jessie Sunner মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। Alberta-তে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত Muhammad Yaseenসহ দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত একাধিক MLA রয়েছেন। ফেডারেল সরকারেও একই চিত্র। ভারতীয় বংশোদ্ভূত Anita Anand পররাষ্ট্রমন্ত্রী, Maninder Sidhu আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমন্ত্রী। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত Iqra Khalid ও Salma Zahid হাউস অব কমন্সের এমপি, আর Shafqat Ali Treasury Board-এর প্রেসিডেন্ট। সিটি হল থেকে প্রাদেশিক আইনসভা, হাউস অব কমন্স থেকে ফেডারেল মন্ত্রিসভা, নানা ভাষা ও অভিবাসী পটভূমির মানুষ আজ কানাডার নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে রয়েছেন। রাজনীতি তাঁদের উচ্চারণের দরজায় আটকে রাখেনি।
গ্রেটার টরন্টোর ভাষার বাস্তবতাটিও লক্ষ করার মতো। ২০২১ সালের Statistics Canada Census অনুযায়ী Toronto CMA-তে ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষের ঘরের প্রধান ভাষা ইংরেজি বা ফরাসি নয়। অর্থাৎ চারজনের একজনেরও বেশি মানুষের ঘরের প্রধান ভাষা কানাডার দুই সরকারি ভাষার বাইরে। টরন্টোর বহুসাংস্কৃতিক চরিত্র বোঝাতে এই একটি পরিসংখ্যানই যথেষ্ট।
এই বাস্তবতার মাঝখানে এবার বাংলাদেশি কমিউনিটির দিকে তাকানো যাক। স্কারবরো সাউথওয়েস্ট থেকেই ২০১৮ সালে ডলি বেগম এমপিপি নির্বাচিত হয়ে প্রথম বাংলাদেশি-কানাডিয়ান হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। পরে তিনি অন্টারিও আইনসভায় বিরোধী দলের ডেপুটি লিডার হন। প্রাদেশিক রাজনীতি ছেড়ে ফেডারেল রাজনীতিতে গিয়ে ২০২৬ সালের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে কানাডার ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি হয়েছেন। অর্থাৎ স্কারবরো সাউথওয়েস্ট আসনটি বাংলাদেশি কমিউনিটির রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে ইতোমধ্যেই গভীরভাবে জড়িয়ে গেছে।
ডলি বেগমের ছেড়ে দেওয়া প্রাদেশিক আসনে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচন। এবারের নির্বাচনে প্রধান দুই দলের দুই প্রার্থী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত: অন্টারিও লিবারেল পার্টির আহসানুল হাফিজ এবং প্রগ্রেসিভ কনজারভেটিভ পার্টির ডা. নূর তরুণ।
তাঁরা কেউ ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া প্রার্থী নন। দুজনকেই নিজ নিজ দলের ভেতরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মনোনয়ন পেতে হয়েছে। আহসানুল হাফিজ ৯ মে চারজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লিবারেল মনোনয়নে জয়ী হন। তাঁর শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৎকালীন ফেডারেল এমপি Nathaniel Erskine-Smith। চূড়ান্ত ভোটে হাফিজ তাঁকে ১৯ ভোটে পরাজিত করেন। অন্যদিকে ৯ জুলাই স্থানীয় PC সদস্যদের ভোটে ডা. নূর তরুণ দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত হন। অর্থাৎ দুজনই নিজ নিজ দলের অভ্যন্তরীণ লড়াই পেরিয়ে মূল নির্বাচনে এসেছেন। তাঁদের রাজনৈতিক পথচলা, কাজ কিংবা সক্ষমতা নিয়ে যতটা আলোচনা হওয়ার কথা, কোনো কোনো মহলে তার চেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে তাঁদের ইংরেজি নিয়ে।
আহসানুল হাফিজের জীবনটা একটু দেখা যাক। ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে কানাডায় আসেন। ইউনিভার্সিটি অব উইন্ডসরে Mathematics পড়েছেন। পড়াশোনার সময় Domino’s Pizza-য় ডেলিভারি ড্রাইভার হিসেবে কাজ শুরু করেন। দুই বছরের মধ্যে জেনারেল ম্যানেজার হন। ২০১২ সালে প্রথম franchise কেনেন। আজ তিনি অন্টারিওজুড়ে ৩০টি Domino’s স্টোর পরিচালনা করেন।
এখন প্রশ্ন ওঠে, ৩০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালাতে শুধু সুন্দর ইংরেজি বললেই হয়? ব্যবসা, হিসাব, কর্মী, বাজার ও প্রতিদিনের অসংখ্য সিদ্ধান্ত সামলাতে হয়। একজন মানুষ যদি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে এসে পিৎজা ডেলিভারি থেকে ৩০টি স্টোর পরিচালনার পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেন, তাঁর ইংরেজিতে বাংলা উচ্চারণ আছে কি না, সেটিই কি তাঁর সক্ষমতার প্রধান মাপকাঠি?
ডা. নূর তরুণের ক্ষেত্রেও একই প্রশ্ন। তিনি একজন পারিবারিক চিকিৎসক এবং দুই দশকের বেশি সময় ধরে স্কারবরোতে বসবাস করছেন। গ্রেটার টরন্টো এলাকায় ছয়টি মেডিকেল ক্লিনিক ও একটি specialist centre পরিচালনা করেন, যেখানে প্রতিদিন শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা নেন। নানা ভাষা ও সংস্কৃতির রোগীর কথা শুনে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা বোঝাতে তাঁকে প্রতিদিনই যোগাযোগ করতে হয়। তাহলে রাজনীতির মঞ্চে উঠলেই তাঁর ইংরেজির পরীক্ষা কেন নিতে হবে?
আরেকটি বিষয়ও লক্ষ করার মতো। এই দুই প্রার্থীর পেছনে তাঁদের দলীয় সংগঠন ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সক্রিয়ভাবে মাঠে নেমেছেন। ডা. নূর তরুণকে প্রার্থী করার পর Ontario PC Leader ও Premier Doug Ford প্রকাশ্যেই তাঁকে শক্তিশালী প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরেছেন। আহসানুল হাফিজের প্রচারণা উদ্বোধনেও Liberal MPP Dr. Adil Shamjiসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা সরাসরি প্রচারে অংশ নিয়েছেন। দলগুলো একটি আসন জেতার জন্য তাদের অর্থ, সংগঠন, নেতা-কর্মী ও রাজনৈতিক শক্তি বিনিয়োগ করছে। ফলে বাইরে থেকে শুধু উচ্চারণ শুনে কাউকে অযোগ্য ঘোষণা করার আগে এটুকু অন্তত ভাবা যায়, নিজ নিজ দল তাঁদের নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা না দেখলে তাঁদের পেছনে এত রাজনৈতিক শক্তি ব্যয় করত কেন?
ভাষা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। জনপ্রতিনিধিকে আইনসভায় বক্তব্য দিতে হয়, সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে হয়, সরকারের সঙ্গে কথা বলতে হয়। কিন্তু ভাষার দক্ষতা আর উচ্চারণ এক বিষয় নয়। কুইন্স পার্ক কিংবা হাউস অব কমন্সে নানা উচ্চারণের ইংরেজি শোনা যায়। জনপ্রতিনিধির মূল্যায়ন শুধু উচ্চারণ দিয়ে নয়, তাঁর কাজ, চিন্তা, যোগাযোগের ক্ষমতা ও প্রতিনিধিত্বের সক্ষমতা দিয়েও করতে হয়।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক নেতৃত্বের পথে শারীরিক বা যোগাযোগগত প্রতিবন্ধকতাও যে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি, তার ইতিহাস রয়েছে। জাপানের দাইসুকে তেম্বাতা ২০২২ সাল থেকে দেশটির জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ House of Councillors-এর সদস্য। গুরুতর শারীরিক ও বাকপ্রতিবন্ধিতা নিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে সহকারীর মাধ্যমে তিনি নিজের বক্তব্য প্রকাশ করেন। ২০২৬ সালেও তিনি সংসদীয় কমিটিতে দায়িত্ব পালন করছেন। নিউজিল্যান্ডের Mojo Mathers ছিলেন দেশটির প্রথম বধির এমপি; সংসদীয় কাজে তাঁর জন্য বিশেষ যোগাযোগ সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আর কানাডার Steven Fletcher ঘাড়ের নিচ থেকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার পরও ২০০৪ সালে এমপি নির্বাচিত হন, তিনবার পুনর্নির্বাচিত হন এবং ফেডারেল সরকারের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের শারীরিক সীমাবদ্ধতা রাজনৈতিক নেতৃত্বের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
তাই নেতৃত্বের বিচার করতে গিয়ে প্রশ্নটি হওয়া উচিত, একজন মানুষ কী বলতে চান এবং কী করতে পারেন; তিনি কোন উচ্চারণে বলেন, সেটি নয়। রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় ভাষা শেষ পর্যন্ত মানুষের ভাষা। যে মানুষ তাঁর এলাকার আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, ট্রানজিট, কর্মসংস্থান ও অভিবাসীদের সমস্যা বোঝেন, তাঁর যোগাযোগের সক্ষমতাকে শুধু উচ্চারণ দিয়ে মাপা যায় না।
স্কারবরো সাউথওয়েস্টে বাংলাভাষী মানুষের উপস্থিতিও সামান্য নয়। ২০২১ সালের Statistics Canada Census Profile অনুযায়ী এই এলাকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তৎকালীন নির্বাচনী সীমানায় বাংলা মাতৃভাষী ছিলেন ৮,৭৯৫ জন। পরবর্তী পাঁচ বছরে নতুন অভিবাসনের কারণে সংখ্যা যে কত বেড়েছে, তা অনুমান করা যায়। এই আসনে বাংলা ভাষাভাষীরা একটি দৃশ্যমান জনগোষ্ঠী।
বাংলাদেশিরা কানাডায় আর নতুন কোনো জনগোষ্ঠী নন। চিকিৎসা, প্রকৌশল, শিক্ষা, ব্যবসা, আইন, সাংবাদিকতা ও সরকারি চাকরিসহ নানা ক্ষেত্রে আমাদের উপস্থিতি সুপ্রতিষ্ঠিত। কিন্তু সেই তুলনায় রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব এখনো সীমিত। ডলি বেগম দেখিয়েছেন, কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের আরও শক্ত অবস্থান গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।
দল অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। Liberal, PC, NDP, Green প্রত্যেক দলের নীতি ও দর্শনে পার্থক্য রয়েছে। ভোটার সেই নীতির পাশাপাশি প্রার্থীর অতীতের কাজ, সক্ষমতা, এলাকার সঙ্গে সম্পর্ক এবং কমিউনিটিতে তাঁর অবদান বিচার করবেন। কিন্তু সেই বিচার যেন খোঁড়া যুক্তির ওপর দাঁড়িয়ে না থাকে। কারও ইংরেজিতে বাংলা টান আছে বলে তিনি অযোগ্য, কারও উচ্চারণ পছন্দ নয় বলে তিনি অযোগ্য কিংবা কারও চেহারা নেতৃত্বসুলভ মনে হয় না বলে তাঁকে ছোট করা, এসব যুক্তি বহুসাংস্কৃতিক কানাডার বাস্তবতার সঙ্গে যায় না। নেতৃত্বের মাপকাঠি হওয়া উচিত কাজ, সততা, যোগ্যতা ও জনসম্পৃক্ততা।
স্কারবরো সাউথওয়েস্টের নির্বাচনই শেষ নয়। কানাডার রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষদের ভবিষ্যৎ প্রতিনিধিত্ব কোথায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে, সেটিও ভাবার বিষয়। আজ একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি আছেন। আগামী দিনে আরও এমপি, এমপিপি, কাউন্সিলর, স্কুল ট্রাস্টি কিংবা মন্ত্রী আসবেন।
স্বপ্ন দেখি, একদিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কেউ কানাডার প্রধানমন্ত্রী হবেন, কেউ অন্টারিওর প্রিমিয়ার, কেউ টরন্টো কিংবা মন্ট্রিয়লের মেয়র। কেউ মন্ত্রী হবেন, কেউ পার্লামেন্টে বসবেন। এ স্বপ্ন শুধু আমার একার নয়; হাজারো বাংলাদেশি বাবা-মায়ের বুকেও এমন স্বপ্ন আছে বলে আমার বিশ্বাস।
এনএন/ ২৮ আগস্ট ২০২৬









