তীব্র জ্বালানি সংকটে থাকা কিউবায় তেল ও গ্যাস পাঠাচ্ছে রাশিয়া

মস্কো, ৩০ মার্চ – ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের জেরে লাতিন আমেরিকার দেশ কিউবা তীব্র জ্বালানি সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। এই কঠিন সময়ে কিউবাকে সহায়তা করা রাশিয়ার দায়িত্ব বলে জানিয়েছে মস্কো।
বর্তমান পরিস্থিতিতে রাশিয়া কোনোভাবেই নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই কিউবায় তেল, গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম পণ্য পাঠানোর আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানিয়েছে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মস্কোয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, কঠোর অবরোধের মধ্যে থাকা কিউবার জন্য তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য এখন অত্যন্ত জরুরি। এসব জ্বালানি দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন, জীবনরক্ষাকারী অবকাঠামো সচল রাখা এবং স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে অপরিহার্য ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও জানান, মানবিক সহায়তা হিসেবে কিউবায় এই তেল সরবরাহের বিষয়টি আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছিল। পাশাপাশি রুশ তেলবাহী জাহাজ নিরাপদে কিউবায় পৌঁছানোয় মস্কো সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
অন্যদিকে রাশিয়ায় ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্ট্যাবের সম্ভাব্য সাধারণ সামরিক মোবিলাইজেশন সংক্রান্ত মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন পেসকভ। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এ ধরনের কোনো পরিকল্পনা বর্তমানে রুশ সরকারের কার্য তালিকায় নেই।
ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়ে মুখপাত্র জানান, রাশিয়া বিশ্ববাজারে এবং বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে একটি নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহকারী হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রাখতে সর্বদা প্রস্তুত।
এছাড়া সার্বিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার গ্যাস চুক্তির বিষয়েও তিনি কথা বলেন। ৩১ মার্চ শেষ হতে যাওয়া এই চুক্তিটি অব্যাহত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
এর আগে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেজান্ডার ভোসিস জানিয়েছিলেন যে, রাশিয়ার সঙ্গে তাদের গ্যাস চুক্তির মেয়াদ আরও তিন মাসের জন্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এনএন/ ৩০ মার্চ ২০২৬









