ইসরায়েলি গোয়েন্দা স্থাপনায় ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

তেল আবিব, ২৫ মার্চ – ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি দাবি করেছে যে তারা ইসরায়েলের বিভিন্ন তথাকথিত নিরাপদ লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয় অপারেশন ট্রু প্রমিজ ফোর এর অংশ হিসেবে ২৪ মার্চ ৭৯তম দফার এই প্রতিশোধমূলক হামলা পরিচালিত হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় খাইবার শেকান এমাদ ও সেজ্জিল নামের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র এবং আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের ড্রোন ইসরায়েলের বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে তেল আবিবের উত্তর ও কেন্দ্রীয় অঞ্চলে অবস্থিত গোয়েন্দা স্থাপনা রামাত গান ও নেগেভে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বাণিজ্যিক ও সহায়তা কেন্দ্র এবং বীরশেভায় সামরিক লজিস্টিক ও দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ড সেন্টার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
আইআরজিসির দাবি এই হামলার ফলে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আগুন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায় এবং প্রায় ২০ লাখের বেশি মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে হয় যা তাদের সামরিক সক্ষমতার বড় প্রমাণ। সংস্থাটি আরও জানায় যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন এবং ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আমান এই যুদ্ধসংক্রান্ত খবর ও হামলার প্রকৃত চিত্র গোপন করছে।
আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনিসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে তেহরান। যৌথ বাহিনীর বিমান হামলায় ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বহু হতাহতের ঘটনার জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।
এনএন/ ২৫ মার্চ ২০২৬









