মার্কিন হামলার পরও খার্গ দ্বীপে তেল রপ্তানি স্বাভাবিক, তেহরানে ১২ হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত

খার্গ দ্বীপ, ১৭ মার্চ – ইরানের তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলার পরও সেখানকার জীবনযাত্রা ও স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
দেশটির সংসদীয় জ্বালানি কমিটির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তেল রপ্তানি প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে শ্রমিকরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তেল রপ্তানিতে যেন কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে শ্রমিকরা দিনরাত তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।
জ্বালানি কমিটির ওই মুখপাত্র আরও সতর্ক করে বলেছেন, শত্রুরা যদি খার্গ দ্বীপের দিকে নজর দেওয়ার দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের জেনে রাখা উচিত যে হরমুজ প্রণালিতে তারা যে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিল তার চেয়েও বড় অপমান তাদের জন্য অপেক্ষা করছে। অন্যদিকে তেহরানের গভর্নরের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে শহরটিতে প্রায় ১২ হাজার ভবন সম্পূর্ণ বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মেহের নিউজের প্রতিবেদনে গভর্নর মোহাম্মদ সাদেঘ মোতামাদিয়ানের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ইরানের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় অন্তত ৫৬টি জাদুঘর, ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ এম/ ১৭ মার্চ ২০২৬









