খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার

ঢাকা, ৫ মার্চ – জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার এ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র এবং নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ও মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলকে মরণোত্তর পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী এবং সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ বা হানিফ সংকেত ও বশির আহমেদ পুরস্কার পাচ্ছেন। ক্রীড়াঙ্গনে জোবেরা রহমান লিনু এবং পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন বা পিকেএসএফ নির্বাচিত হয়েছে। সমাজসেবা ও জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মাহেরীন চৌধুরী এবং এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র পুরস্কার পাচ্ছে।
এছাড়া জনপ্রশাসনে পি এইচ ডি কাজী ফজলুর রহমান এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী ও অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়াকে মনোনীত করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার বাবু এই সম্মাননা পাচ্ছেন।
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা যা ১৯৭৭ সাল থেকে সরকার প্রতি বছর ২৬শে মার্চ উপলক্ষে প্রদান করে আসছে। পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণের পদক ও একটি রেপ্লিকা এবং ৩ লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক প্রদান করবেন।
এনএন/ ৫ মার্চ ২০২৬









