জাতীয়

সরকারের শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ারই অংশ

ঢাকা, ০৩ ফেব্রুয়ারি – মেয়াদের শেষ দিকে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনা ও চুক্তি করা অন্তর্বর্তী সরকারের চলমান প্রক্রিয়ারই অংশ বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

চলমান এই প্রক্রিয়া পরবর্তী সরকার চালিয়ে না নিলে অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতির কী হবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে ড. খলিল বলেন, পরবর্তী সরকার এগুলো চালিয়ে যাবে কি না বা ধারাবাহিকভাবে করবে কি না, সে বিষয়ে কিছু বলা অনুমাননির্ভর।

সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত করা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সাধারণত কোনো দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে থাকেন না—এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ড. খলিল বলেন, পৃথিবীর সব দেশে উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠান নেই।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সে সময় সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার ছিল রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কার, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং জাতীয় নির্বাচন। তবে এসব অগ্রাধিকারের বাইরে গিয়ে প্রতিরক্ষা খাতে বেশি মনোযোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে।

২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন প্রতিরক্ষা উদ্যোগ নেয়। এর মধ্যে রয়েছে ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে জিটুজি চুক্তি, পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনা, চীন থেকে জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান ক্রয়, ইউরোপীয় কনসোর্টিয়াম থেকে ইউরো ফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান সংগ্রহ, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সাবমেরিন কেনা, তুরস্ক থেকে টি-১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার আনা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্ল্যাক হক মাল্টিরোল হেলিকপ্টার সংগ্রহ এবং ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে যুদ্ধজাহাজ বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদের সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ।

এনএন/ ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language