নারায়নগঞ্জ

সোনারগাঁয়ের সেই রিসোর্টে মামুনুল সমর্থকদের ভাঙচুর

নারায়ণগঞ্জ, ০৩ এপ্রিল – বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্ট থেকে নিয়ে গেছেন তার সমর্থকরা।

শনিবার সন্ধ্যার পর মামুনুল হক অবরুদ্ধ থাকার সংবাদ শুনে কয়েকশ মানুষ রিসোর্টটির সামনে এসে জড়ো হয়। এ সময় তারা স্লোগান দিয়ে ভাঙচুর শুরু করে। পরে সেখান থেকে তাকে পাশের একটি মসজিদে নিয়ে যায় তারা।

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) তবিদুর রহমান বলেন, রিসোর্টে হামলা চালিয়ে মামুনুল হককে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে হেফাজতের কর্মীরা।

আরও পড়ুন : মামুনুল হকের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে যা বললেন তার ভাগ্নে

এর আগে বিকেলের দিকে তাকে রয়েল রিসোর্টের একটি রুম থেকে নারীসহ আটকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। সে সময় মামুনুল হক দাবি করেন, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের আগে মামুনুল হক সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে যান। তখন তার সঙ্গে একজন নারী ছিলেন। ওই সময় বিষয়টি দেখতে পেরে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নুসহ লোকজন উপস্থিত হন। পরে রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষে এক নারীসহ মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করা হয়।

সে সময় ওসি তবিদুর রহমান বলেন, মামুনুল হক একজন নারীকে নিয়ে উঠেছেন, এই খবরে এলাকার লোকজন ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের কিছু নেতাকর্মী তার রুম ঘিরে রাখে।

তবে মামুনুল হক দাবি করেন, শনিবার দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে সোনারগাঁয়ে যাই। জাদুঘর ঘুরে দেখে বিশ্রাম নেয়ার জন্য রিসোর্টে আসি। মাস্তান প্রকৃতির লোকেরা এসে আমার ওয়াইফসহ আমাকে নাজেহাল করেছে। আমাকে আক্রমণ করেছে।

স্থানীয় আলেমদের কাউকে জানিয়ে তিনি এখানে এসেছেন কি না- এমন প্রশ্নে মামুনুল বলেন, না জানাইনি। যেখানে যাই মানুষজন ভিড় করে। এজন্য আমি একটু আলাদা করে এসেছিলাম।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম সন্ধ্যায় বলেছিলেন, আমরা খবর পাই হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নারীসহ আটক করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ সেখানে গেলে মামুনুল হক ওই নারীকে তার দ্বিতীয় বলে দাবি করেন। পরে পুলিশ তাকে নিরাপত্তা দেয়।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ০৩ এপ্রিল

Back to top button