বিশ্বকাপে ভ্রমণের ধকলে ইংল্যান্ড, সুবিধাজনক অবস্থানে ফ্রান্স

প্যারিস, ১৩ জুলাই – তিন দেশ মিলে আয়োজিত এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোকে আগের যেকোনো আসরের তুলনায় অনেক বেশি পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে শিরোপার লড়াইয়ে টিকে থাকতে গিয়ে কিছু দলকে হাজার হাজার মাইল ভ্রমণ করতে হয়েছে।
সেমিফাইনালে ওঠার পথে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব পাড়ি দিয়েছে ইংল্যান্ড। থমাস টুখেলের নেতৃত্বাধীন এই দলটিকে কানসাস সিটির বেসক্যাম্প থেকে বিভিন্ন ভেন্যুতে আসা যাওয়া করতে গিয়ে সব মিলিয়ে ১৪ হাজার মাইলের বেশি পথ বিমানে কাটাতে হয়েছে। ইংল্যান্ডের এই দীর্ঘ সফরের তুলনায় ফাইনালের দৌড়ে থাকা ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার চিত্র কিছুটা ভিন্ন।
একই বেসক্যাম্প কানসাস সিটিতে অবস্থান করলেও আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত ৮ হাজার মাইলের কম ভ্রমণ করেছে। অন্যদিকে ফ্রান্স সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ডালাসে স্পেনের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচের আগে তাদের ভ্রমণের মোট দূরত্ব ছিল ২ হাজার মাইলেরও কম।
ফরাসিদের কম ভ্রমণের প্রধান কারণ হলো তারা টুর্নামেন্টের বেশিরভাগ সময় যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরগুলোর কাছাকাছি অবস্থান করেছে। বিপরীতে ইংল্যান্ডকে কানসাস সিটি থেকে আটলান্টা, বোস্টন, মেক্সিকো সিটি ও মায়ামির মতো দূরবর্তী শহরগুলোতে যাতায়াত করতে হয়েছে। ইংল্যান্ডের পাশাপাশি স্পেনকেও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে।
সেমিফাইনালে ওঠার আগে স্প্যানিশ দলের ভ্রমণের পরিমাণ ছিল ১২ হাজার মাইলের বেশি। এছাড়া সুইজারল্যান্ড ১০ হাজার মাইল এবং মরক্কো ৮ হাজার মাইলের বেশি পথ অতিক্রম করেছে। মরক্কো মূলত নিউ জার্সির বেসক্যাম্প থেকে বিভিন্ন শহরে যাতায়াত করেছে।
কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে বেলজিয়াম প্রায় ৪ হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়েছে। অতিরিক্ত এই ভ্রমণের ধকল খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে। নরওয়ের কোচ স্তালে সোলবাকেন মনে করেন, দীর্ঘ বিমান ভ্রমণ, আবহাওয়ার তারতম্য এবং পরিবেশের পরিবর্তন খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি মানসিক ও শারীরিক চাপ তৈরি করতে পারে।
এস এম/ ১৩ জুলাই ২০২৬









