জাতীয়

বিশ্বে মৎস্যচাষে শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ, উন্মুক্ত জলাশয়ে আহরণে দ্বিতীয়

ঢাকা, ২৭ জুন – জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদনে মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির চিত্র ফুটে উঠেছে। ২০২৪ সালে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি মৎস্যচাষী দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় থেকে মৎস্য আহরণের ক্ষেত্রে দেশটি বিশ্বজুড়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছে।

দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার ২০২৬ শীর্ষক এই প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৪ সালে বিশ্বে মৎস্য ও মৎস্যচাষ খাতে মোট উৎপাদন রেকর্ড ২৩ কোটি ৫০ লাখ টনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ১৯ কোটি ৫০ লাখ টন ছিল জলজ প্রাণী এবং ৪ কোটি টন শৈবাল।

২০২২ সালের তুলনায় এই উৎপাদন প্রায় ৫ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্ববাজারে এই উৎপাদনের প্রাথমিক বিক্রয়মূল্য প্রায় ৫৬ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মোট মৎস্য উৎপাদনের ৬৭ শতাংশ এসেছে সামুদ্রিক জলসীমা থেকে।

এর মধ্যে ৫১ শতাংশ উন্মুক্ত জলাশয় এবং ৪৯ শতাংশ মৎস্যচাষের মাধ্যমে উৎপাদিত হয়েছে। বাকি ৩৩ শতাংশ উৎপাদন হয়েছে অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে, যার ৮৪ শতাংশই এসেছে নিয়ন্ত্রিত মৎস্যচাষ পদ্ধতি থেকে। বিশ্বব্যাপী মৎস্য ও জলজ চাষ উৎপাদনে এশিয়ার আধিপত্য এখনো বজায় রয়েছে।

মোট উৎপাদনের প্রায় ৭৬ শতাংশই এই অঞ্চল থেকে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল ৮ শতাংশ, ইউরোপ ৭ শতাংশ, আফ্রিকা ৬ শতাংশ এবং উত্তর আমেরিকা ২ শতাংশ অবদান রাখছে।

২০২৪ সালে জলজ প্রাণীর রেকর্ড উৎপাদনের মধ্যে ৫৩ শতাংশ এসেছে সরাসরি মৎস্যচাষ থেকে এবং বাকি ৪৭ শতাংশ উন্মুক্ত জলাশয় থেকে আহরণ করা হয়েছে। সামুদ্রিক অঞ্চল থেকে এসেছে মোট উৎপাদনের ৬১ শতাংশ এবং বাকি ৩৯ শতাংশ পাওয়া গেছে অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে।

এস এম/ ২৭ জুন ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language