পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

ঢাকা, ২ জুন – রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়।
মামলার চার্জশিটভুক্ত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে প্রথম দিনেই ১০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন ভিকটিমের মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার এবং চাচা মিজানুর রহমান লিটন। এছাড়া প্রতিবেশী এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণকালে রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামি পক্ষের আইনজীবী মুসা কলিমউল্লাহ তাদের জেরা করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ জানান যে সকল সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে।
এর আগে সকালে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। সোমবার আদালত এই দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন।
গত ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ পরিদর্শক অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা গত ১৯ মে নিখোঁজ হয়।
পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ঘর থেকে তার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই নৃশংস ঘটনায় ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা। পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করে।
এস এম/ ২ জুন ২০২৬









