ইরানকে দেওয়া সময়সীমা আনুষ্ঠানিকভাবে বাড়াননি ট্রাম্প, ধ্বংসের হুঁশিয়ারি

ওয়াশিংটন, ৭ এপ্রিল – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে দেওয়া মঙ্গলবার রাত আটটার সময়সীমা আনুষ্ঠানিকভাবে আর বৃদ্ধি করেননি। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে কার্যক্ষেত্রে আরও এক দিন অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত ৫৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প এই অতিরিক্ত সময়ের কথা উল্লেখ করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন এটি একটি অত্যন্ত সংকটময় সময় এবং তাদের মঙ্গলবার রাত আটটা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান শুরুতে ইরানের অনুরোধে সাত দিনের একটি সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল।
পরে সেটিকে দশ দিনে উন্নীত করা হয়। তবে ইস্টারের পরদিন সামরিক হামলা চালানো ঠিক হবে না বিবেচনা করে তিনি সময়সীমা কার্যত এগারো দিনে নির্ধারণ করেন। ট্রাম্প জানান দশ দিনের সময়সীমা শেষ হয়েছে এবং পরোক্ষভাবে তিনি এগারো দিন সময় দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে নতুন করে কোনও আনুষ্ঠানিক সময়সীমা দেওয়া হয়নি এবং পূর্বের ডেডলাইন অপরিবর্তিত রয়েছে। ট্রাম্প কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন সময়সীমার মধ্যে সমঝোতা না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বিশেষ করে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে।
এর ফলে দেশটি প্রস্তর যুগে ফিরে যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। অন্যদিকে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ নতুন করে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজেরিক জানান বেসামরিক অবকাঠামো এবং জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে কোনওভাবেই লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়।
তিনি সতর্ক করে বলেন কোনও স্থাপনা সামরিক লক্ষ্যবস্তু হলেও যদি তাতে মাত্রাতিরিক্ত বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি হয় তবে তা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে। মঙ্গলবার রাত আটটা ইস্টার্ন টাইম বলতে বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল প্রায় ছয়টাকে বোঝায়। এখন পুরো বিশ্বের নজর রয়েছে এই সময়সীমার মধ্যে কোনও কূটনৈতিক সমঝোতা হয় নাকি পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের দিকে অগ্রসর হয়।
এস এম/ ৭ এপ্রিল ২০২৬









