চট্টগ্রামে বিধিনিষেধ অমান্য করায় ১৫৪ মামলা

চট্টগ্রাম, ০৩ আগস্ট – চট্টগ্রামে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকানপাট-শপিংমল খোলা রাখা, অপ্রয়োজনে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করাসহ বিভিন্ন অপরাধে ১৫৪ মামলায় ৭৩ হাজার ৭৫০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বিআরটিএ ওচট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এই অর্থদণ্ড দেন। জরিমানার পাশাপাশি অভিযানকালে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি পালনে সচেতন করা হয়।
নগরের হালিশহর, পাহাড়তলি, চকবাজার, বাকলিয়া, কর্ণফুলী, আকবরশাহ, বায়েজিদ, খুলশী, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, ডবলমুরিং, সদরঘাট, নতুন ব্রিজ, মইজ্জারটেক ও লালখান বাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
নগরের হালিশহর, পাহাড়তলি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন এ সময় ২৪টি মামলায় ২৩ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
চকবাজার, বাকলিয়া ও কর্ণফুলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা ইসলাম। এ সময় ৫টি মামলায় ৩ হাজার ২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
পাশাপাশি আকবরশাহ, বায়েজিদ, হালিশহর ও পাহাড়তলি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায় ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী। এসময় ২৫ টি মামলায় মোট ১০ হাজার ৪৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
নগরের খুলশী, চাঁন্দগাও ও পাঁচলাইশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইনামুল হাছান ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোনিয়া হক। এ সময় ১৪ টি মামলায় ৫ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জিসান বিন মাজেদ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিল্লুর রহমান ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাজিব হোসেন ডবলমুরিং ও সদরঘাট এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় ১২টি মামলায় ২ হাজার ৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।
খুলশী, পাঁচলাইশ, চাঁন্দগাও এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিবি করিমুন্নেছা। এ সময় ১০ টি মামলায় ২ হাজার ২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
এছাড়া নতুনব্রীজ, মইজ্জারটেক এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বিআরটিএ এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু কুমার দাস ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহারিয়ার মুক্তার। এসময় ১৭ টি মামলায় ৬ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদন্ড আদায় করেন।
বাকলিয়া, চকবাজার, চাঁন্দগাও, পাঁচলাইশ, হালিশহর, পাহাড়তলি ও লালখান বাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী। তিনি ১৫ টি মামলায় ২ হাজার ৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধে জেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ০৩ আগস্ট









