ফকল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব ইস্যুতে ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা দ্বীপপুঞ্জ কর্তৃপক্ষের

লন্ডন, ২৫ এপ্রিল – দক্ষিণ আটলান্টিকের ব্রিটিশ শাসিত অঞ্চল ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সার্বভৌমত্ব ইস্যুতে সতর্কবার্তা প্রদান করেছে। দ্বীপপুঞ্জটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বা সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো ধরনের বাহ্যিক চাপ বা হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না। সম্প্রতি খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ফকল্যান্ডের ওপর যুক্তরাজ্যের দাবির বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনার কথা ভাবছে। এই প্রেক্ষাপটে দ্বীপপুঞ্জটির সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।
তারা জানায়, ফকল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একমাত্র অধিকার সেখানকার বাসিন্দাদের। এ বিষয়ে অন্য কোনো শক্তির হস্তক্ষেপ বা বুলিং মেনে নেওয়া হবে না। ফকল্যান্ডস সরকারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তারা অনেক আগেই ব্রিটিশ শাসনাধীনে থাকার পক্ষে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এই সিদ্ধান্তকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা। বিশ্লেষকদের মতে, লাতিন আমেরিকার ভূরাজনীতি এবং আর্জেন্টিনার সাথে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবে ফকল্যান্ড ইস্যুটি যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী মহলে আলোচনায় এসেছে।
দীর্ঘদিন ধরেই ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান। এমতাবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সক্রিয় ভূমিকা এই অঞ্চলে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফকল্যান্ড কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রশ্নে তারা কোনো ধরনের আপস করবে না। সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে বাইরের কোনো রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা গ্রহণযোগ্য হবে না।
এস এম/ ২৫ এপ্রিল ২০২৬









