ব্যবসা

বাজারে ব্রয়লার মুরগিসহ ১০ পণ্যের দাম কমল, তবে চড়া মাছ ও অন্যান্য মুরগি

ঢাকা, ২৭ মার্চ – ঈদ পরবর্তী বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কমে প্রতি কেজি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালী মুরগিসহ লেয়ার, পাকিস্তানি কক এবং দেশি মুরগির দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে। এসব মুরগি কেজিপ্রতি সর্বনিম্ন ৩৬০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর উত্তরার সমবায় বাজার ঘুরে দেখা যায়, লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা, সোনালী মুরগি ৩৬০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ৩৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি আকারভেদে ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কমেছে। তবে অন্যান্য মুরগির সরবরাহ কম থাকলেও চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকায় দামে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি।

গরুর মাংস মানভেদে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস এক হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, বাজারে মাছের সরবরাহ কম থাকলেও ক্রেতা সীমিত থাকায় দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। আকারভেদে রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, কাতলা ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৮০ টাকা এবং পাঙ্গাশ ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিং ও মাগুর মাছ ৫৫০ থেকে ৭৫০ টাকা, কই মাছ ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং বড় মাছ ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ছোট চিংড়ি, কাঁচকি, মলা, পাবদা এবং গলদা চিংড়িও আগের দামেই বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ বা টিসিবি জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে চাল, আটা, পেঁয়াজ ও ব্রয়লার মুরগিসহ অন্তত দশটি পণ্যের দাম কমেছে।

টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, মোটা চাল কেজিতে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং প্যাকেটজাত আটা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪৫ টাকা এবং কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকায় নেমে এসেছে। তবে বড় দানার মসুর ডালের দাম কিছুটা বেড়ে ৯০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভোজ্যতেলের বাজার গত এক সপ্তাহের মতো স্থিতিশীল রয়েছে।

এনএন/ ২৭ মার্চ ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language