মধ্যপ্রাচ্য

ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন বিমান বাহিনীর বোমা হামলা, তেলের স্থাপনা অক্ষত

তেহরান, ১৪ মার্চ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে, মার্কিন বিমান বাহিনী ইরানের খারগ দ্বীপে অবস্থিত বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছে।

তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, এখন পর্যন্ত দ্বীপের তেল শোধনাগার বা তেলের স্থাপনাগুলোকে এই হামলার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন।

ইরানের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে খারগ দ্বীপের কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ট্রাম্প এই দ্বীপটিকে ইরানের রাজমুকুট হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। পারস্য উপসাগরের উত্তর প্রান্তে ইরানি শহর বুশেহরের কাছাকাছি অবস্থিত এই দ্বীপটি মূলত ইরানের তেল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

দেশটির জ্বালানি তেল রপ্তানির প্রায় নব্বই শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। এখান থেকেই অপরিশোধিত তেল বিশালাকার ট্যাঙ্কারগুলোতে লোড করা হয় এবং পরবর্তীতে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে চীনের মতো দূরবর্তী আন্তর্জাতিক বাজারগুলোতে তা সরবরাহ করা হয়। খারগ দ্বীপে এই সামরিক অভিযানের অর্থ হলো সরাসরি ইরানের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ডে আঘাত হানা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই আকস্মিক সামরিক পদক্ষেপের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে বলে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

এনএন/ ১৪ মার্চ ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language