হরমুজ প্রণালিতে থাই জাহাজে হামলা: ইরানের কাছে ব্যাখ্যা চাইল থাইল্যান্ড

ব্যাংকক, ১২ মার্চ – পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে থাইল্যান্ডের একটি মালবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় ইরানের কাছে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা ও ব্যাখ্যা দাবি করেছে থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত বুধবারের এই হামলায় জাহাজটিতে আগুন ধরে যায় এবং ক্রু সদস্যরা প্রাণ বাঁচাতে জাহাজটি ত্যাগ করতে বাধ্য হন। বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরানি রাষ্ট্রদূতের কাছে এই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি স্বীকার করেছে যে ইরানি যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে ওই জাহাজটি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে।
থাইল্যান্ডে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান প্রিসিয়াস শিপিং জানিয়েছে তাদের ময়ূরী নারি নামক ড্রাই বাল্ক জাহাজটি যখন প্রণালি অতিক্রম করছিল তখন অজ্ঞাত উৎস থেকে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র সেটিতে সরাসরি আঘাত হানে। এতে জাহাজের ইঞ্জিন রুমে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটে এবং দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে যে হামলার পর থেকে তিনজন ক্রু সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন এবং তারা ইঞ্জিন রুমের ভেতরে আটকা পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিখোঁজদের উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ চলছে। তবে বাকি ২০ জন ক্রু সদস্যকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং বর্তমানে তারা ওমানে অবস্থান করছেন। থাই নৌবাহিনীর সরবরাহ করা ছবিতে জাহাজটির পেছনের অংশ থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা গেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার ব্যাপারে এর আগে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী।
এস এম/ ১২ মার্চ ২০২৬









