অতিরিক্ত জ্বালানি চেয়ে বাংলাদেশের চিঠি পেয়েছে ভারত: প্রণয় ভার্মা

ঢাকা, ১২ মার্চ – মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ চেয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ।
বুধবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
তিনি জানান বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের আনুষ্ঠানিক চিঠি তিনি গ্রহণ করেছেন এবং তা দ্রুত বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
বৈঠকে দুই দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতার ক্ষেত্র এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি তেল আমদানি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ডিজেলের চাহিদা পূরণে ভারত ও চীনসহ বিভিন্ন বিকল্প উৎসের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ভারতের কাছ থেকে পূর্ব নির্ধারিত চুক্তির চেয়ে বেশি পরিমাণ ডিজেল আমদানির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত রোববার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গেও বৈঠক করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। সেই বৈঠকে বাংলাদেশ ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে আগামী চার মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে পূর্ব চুক্তি অনুযায়ী ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠানো শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তথ্যমতে গত ৯ মার্চ পাইপলাইনের মাধ্যমে এই তেল পাম্পিং শুরু হয় যা দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। উল্লেখ্য ২০২৩ সালের মার্চে শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত প্রায় ১৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনটি উদ্বোধন করা হয়। এর বার্ষিক পরিবহন সক্ষমতা প্রায় ২ লাখ টন।
এনএন/ ১২ মার্চ ২০২৬









