মধ্যপ্রাচ্য

নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন ইরানি গণমাধ্যমে, এক্সে বার্তা দিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

তেল আবিব, ১০ মার্চ – ইরানভিত্তিক একাধিক সংবাদমাধ্যমে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নিহত বা গুরুতর আহত হওয়ার দাবি তোলা হয়েছে। তবে মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অ্যাকাউন্ট থেকে একটি বার্তা প্রকাশ করা হয় বলে বিবিসি জানিয়েছে।

এক্সে দেওয়া বার্তায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ইরানের শাসন ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য হলো ইরানি জনগণকে বর্তমান শাসনব্যবস্থার নিপীড়ন থেকে মুক্ত করা। তবে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি তাদের ওপরই নির্ভর করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন যে এ পর্যন্ত নেওয়া পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা প্রতিপক্ষের মেরুদণ্ড ভেঙে দিচ্ছেন এবং তারা এখনো সক্রিয় রয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। গত কয়েকদিন ধরে নেতানিয়াহুকে জনসম্মুখে বা কোনো ভিডিও বার্তায় না দেখায় এই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।

ইরানের আধা সরকারি বার্তাসংস্থা মেহের মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করে। সংস্থাটি জানায় তিন দিন পার হলেও নেতানিয়াহু তার ব্যক্তিগত চ্যানেলে কোনো নতুন ভিডিও পোস্ট করেননি এবং প্রায় চার দিন ধরে তার কোনো নতুন ছবি প্রকাশিত হয়নি। এরপর থেকে তার নামে আসা বিবৃতিগুলো কেবল লিখিত আকারে ছিল। অথচ এর আগে নিয়মিতভাবে তার চ্যানেল থেকে প্রতিদিন অন্তত একটি বা কখনো তিনটি পর্যন্ত ভিডিও প্রকাশ করা হতো।

তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে হিব্রু গণমাধ্যমের সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে যে আট মার্চ থেকে নেতানিয়াহুর বাসভবনের চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে আত্মঘাতী ড্রোন হামলা মোকাবিলায় সেখানে কঠোরতা আরোপ করা হয়েছে।

তবে নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা আহত হওয়ার এই খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্ট। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে হিব্রু গণমাধ্যমের কোনো প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর ওপর হামলার প্রমাণ বা আনুষ্ঠানিক কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

এনএন/ ১০ মার্চ ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language