
রংপুর, ২৫ নভেম্বর- করোনাকালের ঝাপটায় অনিশ্চয়তায় পড়েছে উত্তরাঞ্চলের বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা। ৮ মাসেরও বেশি সময় স্কুল বন্ধ থাকায় পাঠ্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন শিশুরা। জড়িয়ে পড়ছে শিশুশ্রমে। দেখা দিয়েছে বাল্য-বিয়ে বৃদ্ধির শঙ্কাও। এমনকি টেলিভিশন-অনলাইন ক্লাসের সঙ্গেও তাল মেলাতে পারছে না বেশিরভাগ প্রান্তিক শিশু। এ অবস্থায় ইন্টারনেট অফলাইনে কোর্স ম্যাটেরিয়াল রাখার কথা বলছেন প্রযুক্তিবিদরা।
৮ মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিকল্প হিসাবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও অনলাইনে দূরশিক্ষণ কার্যক্রম চালু থাকলেও দুষ্প্রাপ্যতা বা পরিবারের সঙ্গতি না থাকায় এর সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না প্রান্তিক শিশুরা। নানা বাস্তবতায় শিক্ষাজীবন থেকে বিচ্যুত হচ্ছে অনেক শিশু। মাসের পর মাস বিদ্যালয় থেকে বিচ্ছিন্নরা জড়িয়ে পড়ছে শিশুশ্রমে। সৃষ্টি হয়েছে বাল্য-বিয়ে বৃদ্ধির শঙ্কাও।
তবে বড় সংখ্যায় ঝরে পড়ার শঙ্কা থেকে স্কুল-ফিডিং, উপবৃত্তিসহ অন্যান্য কার্যক্রম চালু রেখে ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থীকে মনিটরিং এর আওতায় আনা হয়েছে বলে দাবি শিক্ষা কর্মকর্তার।
রংপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এএম শাহজাহান সিদ্দিক বলেন, ৬ থেকে ৭% শিক্ষার্থী সঙ্গে মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করতে পারছি না। সেই ক্ষেত্রে আমরা শিক্ষকদের আমরা নির্দেশনা দিয়েছি তাদের বাড়িতে হোম ভিজিট করার জন্য।
তবে প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, টেলিভিশন ও অনলাইন ক্লাশের সুযোগ বা সঙ্গতি অনেকের নেই। ইন্টারনেট অফলাইনে কোর্স ম্যাটেরিয়াল রাখা হলে সুযোগ করে দেখে নিতে পারবে শিক্ষার্থীরা।
রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের ডিন ড. মিজানুর রহমান বলেন, ইন্টারনেটে অফ লাইনে কোর্স ম্যাটারিয়ালগুলো রেখে দিলাম। যেটা যখন শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন তারা দেখে ব্যবহার করবে।
জেলার ১ হাজার ৪৫৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়াও অন্যান্য পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ ২০ হাজার।
সূত্রঃ সময় নিউজ
আডি/ ২৫ নভেম্বর









