রূপচর্চা

রূপচর্চায় টি ট্রি অয়েলের ৬ ব্যবহার

আধুনিক নারীরা সৌন্দর্যচর্চায় রাসায়নিক পণ্যের চেয়ে প্রাকৃতিক উপায় বেশি পছন্দ করেন। প্রাকৃতিক উপাদানসমূহের মধ্যে টি ট্রি অয়েল অন্যতম।  সৌন্দর্যচর্চায় বর্তমান সময়ে এটি বেশ জনপ্রিয় একটি নাম। ফেস ওয়াশ থেকে শুরু করে ক্রিম পর্যন্ত সবক্ষেত্রে টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করা হয়। শুধু ত্বক নয় চুলের যত্নেও টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করা যায়। এমন কিছু ব্যবহার নিয়ে আজকের এই আয়োজন।

১। ব্রণ দূর করতে
আধা কাপ পানিতে তিন চার ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। একটি তুলোর বল এই মিশ্রণে ভিজিয়ে ব্রণের উপর লাগান। এভাবে ২০-২৫ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার প্রয়োজন নেই। প্রথম প্রথম ব্রণ কিছুটা জ্বালা করতে পারে। কিছুক্ষণ পর এই জ্বালাপোড়া কমে যাবে।

২। মেকআপ তুলে ফেলতে
মেকআপ রিমুভার হিসেবে এটি ব্যবহার করা যায়। অলিভ অয়েলের সাথে দশ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। এটি মেকআপ তুলে ফেলার কাজে ব্যবহার করুন। ঠান্ডা স্থানে এটি সংরক্ষণ করুন। মেকআপ তুলে ফেলার পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৩।  উকুন দূর করতে
অনেকেই উকুনের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে টি ট্রি অয়েল। দেড় কাপ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এবং এক টেবিল চামচ টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে এই মিশ্রণ পরিষ্কার চুলে মেখে নিন। ২০ মিনিট এভাবে রেখে দিয়ে উকুনের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যে মাথা থেকে উকুন দূর হয়ে গেছে।

৪। ঘা দূর করতে
একটি তুলোর বলে টি ট্রি অয়েল লাগিয়ে নিন। এই বলটি সরাসরি ঘায়ের স্থানে লাগান। এর অ্যান্টিসেপটিক ঘা দ্রুত সারিয়ে দেয়।

৫। নখের ফাঙ্গাস দূর করতে
নখের ফাঙ্গাস বেশ বিরক্তকর একটি সমস্যা। এই সমস্যার সমাধান করে দেবে টি ট্রি অয়েল। সমীক্ষায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করেন তাদের নখের ফাঙ্গাস তিন মাসের মধ্যে ভাল হয়ে যায়। যা অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম থেকে বেশি কার্যকর। প্রতিদিন নখের উপর এক দুই ফোঁটা টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করুন।

৬। খুশকি দূর করতে
শ্যাম্পু অথবা তেলের সাথে টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন ৫-৭ মিনিট। ১০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি খুশকি, মাথার তালুর রুক্ষতা, চুলকানি দূর করে দেয়। ভাল ফল পেতে নিয়মিত ব্যবহার করুন এটি।

এস সি

Back to top button