
মুন্সীগঞ্জ, ১০ মে– শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাট থেকে সোমবার সকাল ১০টার দিকে একটি ফেরি ছেড়ে গেছে। এক ফেরিতেই অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে পার হয়েছেন দক্ষিণবঙ্গের ঘরমুখো ৩ হাজার যাত্রী।
এছাড়াও গতকাল রবিবার দিনগত রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত ১১টি ফেরিতে পণ্যবোঝাই যানবাহন পারাপার করা হয়েছে। রাতভর ওই ফেরিগুলোতে পণ্যবোঝাই যানবাহনের সঙ্গে ঘরমুখো হাজার হাজার যাত্রী পদ্মা পাড়ি দিয়েছেন।
এদিকে, ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকার পরও শিমুলিয়া ঘাটে দক্ষিণবঙ্গের ঘরমুখো যাত্রীর ঢল অব্যাহত রয়েছে। হাজার হাজার যাত্রী এখনো শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছেন। অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ফেরি ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় তারা ঘাটের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান করছেন।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়েত আহমেদ জানিয়েছেন, রবিবার দিনগত রাত থেকে গতকাল ভোর ৬টা পর্যন্ত নিয়ম মাফিক পণ্যবোঝাই যানবাহন পারাপারের জন্য ফেরি চলাচল করেছে।
তা ছাড়া আজ সকালে ৫-৬টি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট ছেড়ে যায় ফেরি যমুনা। এ ফেরিতে হাজার হাজার যাত্রী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে নৌরুট পারাপার হয়েছেন।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র অ্যাম্বুলেন্স পারাপারের জন্যই ফেরি যমুনা ছাড়া হয়েছিল। তবে এ সময় ঘরমুখো যাত্রীদের তো আর আটকে রাখা যায়নি।
মুন্সীগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুল রায়হান জানান, শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ৫ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক।
তিনি বলেন, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোসহ যাত্রীবাহী কোনো যানবাহন ঘাট এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। যাত্রীবাহী যানবাহন শিমুলিয়া মোড়ের চেকপোস্ট ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এম এন / ১০ মে









