আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম ১২৪ টাকা ছাড়াল, খোলাবাজারে ১২৮ টাকার বেশি

ঢাকা,৩০ অক্টোবর-ডলারের দাম আবারও বাড়ছে। আন্তঃব্যাংক লেনদেনে প্রতি ডলারের দাম ১২৪ টাকায় উঠেছে। ব্যাংকগুলো এর চেয়েও বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে। অন্যদিকে, খোলাবাজারে ডলারের দাম ১২৮ টাকা ছাড়িয়েছে।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের দাম বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ। আর এক মাসের ব্যবধানে বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭৭ শতাংশ।
রাজধানীর মতিঝিলের বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার খোলাবাজারে প্রতি ডলার কিনতে ১২৮ টাকা থেকে ১২৮ টাকা ২০ পয়সা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। অন্যদিকে, মানি এক্সচেঞ্জে ডলার বিক্রি করতে আসা গ্রাহকদের ১২৭ টাকা ৭০ থেকে ১২৭ টাকা ৮০ পয়সা দেওয়া হয়েছে। অথচ মাত্র এক মাস আগেও খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১২৫ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২৬ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে। ফলে এক মাসের ব্যবধানে খোলাবাজারে ডলারের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানির ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তি করতে গিয়ে ব্যাংকগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে। এ কারণে টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের দাম বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।
সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমদানি ব্যয়ের চাপ রয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১১৭ ডলারে উঠেছে। এলপিজির দামও বেশি। রোজাকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির জন্য এলসি (ঋণপত্র) খুলছেন। সব মিলিয়ে ডলারের চাহিদা বাড়ায় এর দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার আন্তঃব্যাংক বাজারে প্রতি ডলারের দাম বেড়ে ১২৪ টাকা ২২ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। একই দিন স্পট মার্কেটে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ১২৪ টাকা ৩৫ থেকে ১২৪ টাকা ৫০ পয়সায়। অথচ ১৫ দিন আগেও স্পট মার্কেটে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১২৩ টাকা ৫০ পয়সা।
এদিকে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লেনদেন ও ঋণপত্রের (এলসি) দায় পরিশোধ করতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে প্রতি ডলারের বিপরীতে ১২৪ টাকা ২১ পয়সা দিতে হচ্ছে। মাসের শুরুতে এই দর ছিল ১২৩ টাকা ১১ পয়সা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে এলসি নিষ্পত্তিতেও ডলারের দাম ১ টাকা ১০ পয়সা বেড়েছে।
এস এম/ ৩০ অক্টোবর ২০২৬







