বেরোবির উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাতের মামলা, তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর

রংপুর,২৩ সেপ্টেম্বর- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আজ বুধবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এদিন প্রতিবেদন জমা দেয়নি। এ কারণে বিচারক পরবর্তী সময়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত বছরের ১৮ জুলাই নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা যোগসাজশ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপি উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন করেছেন। তারা ৩০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের চুক্তি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই সম্পন্ন করেন।
ঠিকাদারের চলতি বিল থেকে কেটে নেওয়া নিরাপত্তা জামানত এফডিআর হিসেবে ব্যাংকে রাখার পর সেই টাকা ঠিকাদারকে ঋণ হিসেবে দেওয়ার জন্য ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ অনুমোদন করে বিশ্ববিদ্যালয় গ্যারান্টার হয়। এভাবে সরকারের ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তিতে অগ্রিম অর্থ দেওয়ার কোনো বিধান না থাকলেও অগ্রিম বিল দেওয়া হয়। অগ্রিম দেওয়া বিল সমন্বয়ের আগেই ওই বিলের বিপরীতে দেওয়া ব্যাংক গ্যারান্টিগুলো অবমুক্ত করা হয়।
প্রথম পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের দেওয়া ড্রইং বা ডিজাইন অনুসরণ না করে সরকারি খাতে ক্রয় পদ্ধতির বিধি লঙ্ঘন করে দ্বিতীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এ ছাড়া অস্বাভাবিক হারে মূল্য দাখিল বা ফ্রন্ট লোডিং থাকা সত্ত্বেও পিপিআর ২০০৮-এর বিধান অনুযায়ী দরপত্র মূল্যায়ন না করার অভিযোগ রয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বেরোবির সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক এ কে এম নূর-উন-নবী, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদার মো. আ. সালাম বাচ্চু ও এম এম হাবিবুর রহমান।
এস এম/ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬







