আইন-আদালত

ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে রাশেদ খান

ট্রাইব্যুনালে রাশেদ খান

ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর- পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানতে ট্রাইব্যুনালে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খান। তবে বুধবার তিনি নতুন করে কোনো অভিযোগ দাখিল করেননি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাশেদ খান। পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, গত বছরের ৭ মে ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগের তদন্ত বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে,েপ্তার করা হয়। পরে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় হয়ে তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নেওয়া হয়। সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে হাত ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট তাকে নির্যাতন করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। একইভাবে আরও আন্দোলনকারীকে নির্যাতন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তা জানতে তিনি ট্রাইব্যুনালে এসেছেন।

রাশেদ খানের অভিযোগ, ২০১৮ সালের ১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় হয়ে তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নেওয়া হয়। সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে হাত ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট তাকে নির্যাতন করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। একইভাবে আরও আন্দোলনকারীকে নির্যাতন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ খান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইশতিয়াক আহমেদ ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে আন্দোলনের বিভিন্ন ফুটেজ সংগ্রহ এবং পরে সেগুলো মুছে ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হত্যার প্রমাণ মুছে ফেলতেই এসব করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

রাশেদ খান বলেন, ২০১৮ সালের আন্দোলনের সময় তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল, তা সে সময় তিনি জানতেন না। পরে ১৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য, তৎকালীন সরকারের নির্দেশনা ছাড়া এ ধরনের কর্মকাণ্ড সম্ভব ছিল না।

এদিকে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, রাশেদ খানের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে এবং অভিযোগটি যাচাই-বাছাই চলছে। ঘটনায় আরও কারা জড়িত ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে তাকে আটক ও নির্যাতন করা হয়েছিল, সেসব বিষয়ও তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।

এস এম/ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

Back to top button
🌐 Read in Your Language