
নিউইয়র্ক, বিশ্ব বাণিজ্যের রাজধানী। মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০০১। ঝকঝকে নীল আকাশ। কর্মব্যস্ত শহরে আর দশটা দিনের মতোই সকাল শুরু হয়েছে। সাবওয়ে থেকে মানুষ বেরিয়ে আসছে স্রোতের মতো। হলুদ ট্যাক্সি ছুটছে ম্যানহাটনের রাস্তায়। ফুটপাতের দোকানে কফির কাপ হাতে অফিসমুখী মানুষ। কেউ সন্তানকে স্কুলে দিয়ে কাজে যাচ্ছেন, কেউ মিটিং ধরতে ছুটছেন। কারও দুপুরে দেখা করার কথা, কারও সন্ধ্যায় জন্মদিন। কত মানুষের কত রকম পরিকল্পনা।
নিউইয়র্কের ব্যবসায়িক কেন্দ্রের মাঝখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দুই টাওয়ার। প্রতিদিনের মতো হাজার হাজার মানুষ ঢুকছেন সেখানে। কেউ জানেন না, তাঁদের মাথার ওপরের নীল আকাশে ইতিমধ্যে অন্য এক গল্প লেখা শুরু হয়ে গেছে।
সকাল ৮টা ৪৬ মিনিট। আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ১১ প্রচণ্ড গতিতে এসে ঢুকে পড়ল উত্তর টাওয়ারে। আগুন বেরিয়ে এল ভবনের অন্য পাশ দিয়ে। প্রথম কয়েক মিনিট অনেকেই ভেবেছিলেন ভয়াবহ কোনো বিমান দুর্ঘটনা।
ঠিক ১৭ মিনিট পর ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ১৭৫ দক্ষিণ টাওয়ারে আঘাত করল। দ্বিতীয় আঘাতটি সরাসরি টেলিভিশনে দেখল পৃথিবী। এরপর পেন্টাগন। তারপর পেনসিলভানিয়া। চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই হয়েছিল। কয়েক ঘণ্টায় প্রায় তিন হাজার মানুষের জীবন শেষ।
এই গল্পের শুরু ১১ সেপ্টেম্বর নয়। এর অনেক পেছনে যেতে হয়। আফগানিস্তান, আশির দশক। সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে তখন যুদ্ধ করছে আফগান মুজাহিদিনরা। পৃথিবীর নানা দেশ থেকে মুসলিম তরুণেরা সেই যুদ্ধে যোগ দিতে আসছেন। তাঁদেরই একজন সৌদি আরবের ধনী নির্মাণ ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান ওসামা বিন লাদেন। বয়স মাত্র ২৩। যোদ্ধা হিসেবে নয়, শুরুতে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন অর্থ, লোকবল ও রসদ জোগাড়ের সংগঠক হিসেবে। পরে বিদেশি যোদ্ধাদের আফগানিস্তানে আনার একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। ১৯৮৮ সালের দিকে সেই নেটওয়ার্ক থেকেই জন্ম নেয় আল-কায়েদা।
উল্লেখ করা প্রয়োজন, ওই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নকে আফগানিস্তানে পরাস্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব পাকিস্তানের মাধ্যমে মুজাহিদিনদের কাছে বিপুল অর্থ ও অস্ত্র পাঠায়। CIA অস্ত্র কিনে পাকিস্তানের হাতে দিত, আর পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা সেগুলো বিভিন্ন আফগান গোষ্ঠীর মধ্যে বিলি করত।
মার্কিন সরকারি নথি ও পরবর্তী অনুসন্ধানে দেখা যায়, যে যুদ্ধ বিন লাদেনকে নেতা হয়ে ওঠার ক্ষেত্র তৈরি করেছিল এবং যে যুদ্ধের ভেতর থেকে পরে আল-কায়েদার জন্ম, সেই যুদ্ধের অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল যুক্তরাষ্ট্র। বিন লাদেনের উত্থানের পেছনে মার্কিন নীতি ও অর্থের বড় ভূমিকা ছিল।
সোভিয়েতরা চলে গেল। কিন্তু বিন লাদেনের যুদ্ধ শেষ হলো না। এবার তাঁর শত্রু হলো যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি আরবে মার্কিন সেনার উপস্থিতি, মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের নীতি এবং মুসলিম বিশ্বে মার্কিন প্রভাবকে সামনে রেখে তিনি আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধের ডাক দেন।
১৯৯৮ সালে মিসরীয় চিকিৎসক ও জঙ্গি সংগঠক আয়মান আল-জাওয়াহিরির সঙ্গে তিনি প্রকাশ্যে মার্কিন নাগরিক ও সেনাদের হত্যার আহ্বান জানান। এর কিছু আগে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত কুয়েতি জঙ্গি খালিদ শেখ মোহাম্মদ বিন লাদেনের কাছে যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার একটি পরিকল্পনা তুলে ধরেছিলেন। 9/11 Commission-এর তথ্য অনুযায়ী, বিন লাদেন পরিকল্পনাটি গ্রহণ করেন, লক্ষ্য ও হামলাকারী বাছাইয়ে ভূমিকা রাখেন এবং অর্থের ব্যবস্থা করেন। তারপর আল-কায়েদার নেতৃত্বে বিমান ছিনতাই করে হামলার পরিকল্পনা এগিয়ে যায়।
২০০১ সালের গ্রীষ্মে মার্কিন গোয়েন্দা দপ্তরগুলোতে একের পর এক সতর্কবার্তা আসছিল। CIA পরিচালক জর্জ টেনেট পরে বলেছিলেন, “The system was blinking red.” ৬ আগস্ট প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের হাতে পৌঁছায় বিখ্যাত সেই গোয়েন্দা ব্রিফিং, “Bin Ladin Determined to Strike in US.” অ্যারিজোনার এক FBI কর্মকর্তা বিমান প্রশিক্ষণকেন্দ্রে উগ্রপন্থীদের উপস্থিতি নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। আগস্টে জাকারিয়াস মুসাউই নামে এক সন্দেহভাজনকে আটকও করা হয়েছিল।
আর দুই ভবিষ্যৎ ছিনতাইকারী নাওয়াফ আল-হাজমি ও খালিদ আল-মিহদারকে CIA আগেই শনাক্ত করেছিল। তাঁদের আল-কায়েদার সঙ্গে যোগাযোগের তথ্যও গোয়েন্দাদের হাতে ছিল। এমনকি আল-মিহদারের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা থাকার কথাও CIA জানত। তারপরও ২০০০ সালের জানুয়ারিতে দুজন নিজেদের আসল নাম ও সৌদি পাসপোর্ট ব্যবহার করেই যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকে পড়েন এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস শুরু করেন। কিন্তু তাঁদের আমেরিকায় অবস্থানের তথ্য FBI-এর কাছে পৌঁছায় অনেক দেরিতে। হামলার মাত্র ১৮ দিন আগে FBI জানতে পারে, এই দুজন যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই রয়েছেন। এরপর সামনে আসে আরেক সৌদি নাগরিক ওমর আল-বাইয়ুমির নাম।
সান ডিয়েগোতে আল-হাজমি ও আল-মিহদারকে বাসা পেতে সাহায্য করেছিলেন এই সৌদি নাগরিক। ভাড়ার চুক্তিতে সহযোগিতা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, টাকা ধার দেওয়া, স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া, সবই করেছিলেন তিনি।
আজ ২৫ বছর পর, ২০২৬ সালে, ProPublica-র অনুসন্ধানে সেই পুরোনো কাহিনি আবার সামনে আসে। ৯/১১-এর পর ব্রিটিশ পুলিশ বাইয়ুমির বাড়ি ও অফিস থেকে বাক্সভর্তি কাগজপত্র, কম্পিউটার ডিস্ক ও ভিডিও জব্দ করেছিল। তাঁর হাতে আঁকা একটি চিত্রে বিমানের গতিপথের হিসাবের মতো রেখা ছিল। একটি ভিডিওতে তাঁকে ক্যাপিটল ভবনের চারপাশের রাস্তা ও অবস্থান ক্যামেরায় ধারণ করতে দেখা যায়। আরও বিস্ময়কর, এসব আলামতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ FBI-র মাঠপর্যায়ের তদন্তকারীদের কাছেও সময়মতো পৌঁছায়নি।
এমন ঘটনাগুলোই ৯/১১ ঘিরে সন্দেহকে আজও বাঁচিয়ে রেখেছে। তথ্য ছিল, মানুষগুলো নজরে ছিল, সূত্র ছিল, তারপরও পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী গোয়েন্দা ব্যবস্থা হামলাটি ঠেকাতে পারেনি।
কিন্তু হামলার পর সিদ্ধান্ত নিতে ওয়াশিংটনের সময় লাগেনি। মাত্র সাত দিনের মাথায় মার্কিন কংগ্রেস প্রেসিডেন্টকে সামরিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা দেয়। ২০ সেপ্টেম্বর বুশ তালেবানকে আল-কায়েদার নেতাদের যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে এবং আফগানিস্তানে তাদের সব প্রশিক্ষণশিবির বন্ধ করার আলটিমেটাম দেন। তালেবান সেই শর্ত মানেনি। ৭ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে। আকাশ থেকে বোমাবর্ষণের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সেই যুদ্ধ দ্রুত তালেবান সরকার উৎখাতের অভিযানে পরিণত হয়।
তবে এই যুদ্ধের পথটি ১১ সেপ্টেম্বরের পর হঠাৎ তৈরি হয়নি। মার্কিন নথি বলছে, হামলার আগেই আফগানিস্তানে তালেবানবিরোধী Northern Alliance-কে সহায়তা, CIA-র তৎপরতা বাড়ানো এবং অস্ত্রসজ্জিত চালকবিহীন Predator ড্রোন দিয়ে বিন লাদেনকে আঘাত করার পরিকল্পনা এগোচ্ছিল। ৪ সেপ্টেম্বর, হামলার মাত্র এক সপ্তাহ আগে, বুশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা আল-কায়েদার বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক একটি কৌশলের খসড়া অনুমোদন করেন। কিন্তু তখনও বড় ধরনের সামরিক অভিযানের জন্য রাজনৈতিক সমর্থন ছিল না। ৯/১১ সেই পরিস্থিতি বদলে দেয়। হামলার পর জনমত যুদ্ধের পক্ষে যায় এবং মিত্র দেশগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ায়। ফলে আগে থেকে বিবেচনায় থাকা সামরিক পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তব রূপ পায়।
এরপর ঘটনাগুলো এগোয় ঝড়ের গতিতে। ২৬ অক্টোবর পাস হয় PATRIOT Act। সরকারের নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। নভেম্বরে গড়ে তোলা হয় Transportation Security Administration বা TSA। বিমানবন্দরের যাত্রী ও ব্যাগ তল্লাশিসহ পরিবহন নিরাপত্তার বড় দায়িত্ব চলে আসে ফেডারেল সরকারের হাতে। পরের বছর ২২টি সরকারি সংস্থাকে এক ছাতার নিচে এনে Department of Homeland Security গঠনের আইন পাস হয়।
এদিকে যুদ্ধ কেবল আফগানিস্তানে থেমে থাকল না। ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতা থেকে সরানো ৯/১১-এর আগেই মার্কিন নীতির অংশ ছিল। হামলার মাত্র চার দিন পর Camp David-এর বৈঠকে ডেপুটি প্রতিরক্ষামন্ত্রী পল উলফোভিটজ ইরাক আক্রমণের যুক্তি তুলেছিলেন। বুশ প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েল পরে 9/11 Commission-কে বলেন, উলফোভিটজ ৯/১১-কে সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সুযোগ হিসেবে দেখেছিলেন।
এরপর বুশ প্রশাসন দাবি করতে থাকে, সাদ্দাম হোসেনের কাছে রাসায়নিক ও জীবাণু অস্ত্র রয়েছে এবং তিনি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছেন। এসবই ‘Weapons of Mass Destruction’ বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র হিসেবে পরিচিত। এই অস্ত্রের হুমকিকেই ইরাক আক্রমণের প্রধান যুক্তি হিসেবে সামনে আনা হয়। ২০০৩ সালের মার্চে ইরাক আক্রমণ করল যুক্তরাষ্ট্র। পরে সিনেট তদন্তে দেখা গেল, ইরাকের গণবিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে গোয়েন্দা মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত ছিল অতিরঞ্জিত এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুল।
ইরাকেও যুদ্ধ থামেনি। ‘War on Terror’-এর নামে মার্কিন সামরিক অভিযান, ড্রোন হামলা ও গোপন অভিযান ছড়িয়ে পড়ে পাকিস্তান, ইয়েমেন, সোমালিয়া, সিরিয়াসহ আরও বহু অঞ্চলে। যুদ্ধের সঙ্গে সঙ্গে বড় হতে থাকে সামরিক ও নিরাপত্তা শিল্পও। ২০০১ থেকে ২০২১ পর্যন্ত Pentagon-এর মোট ব্যয় ১৪ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। এই বিপুল অর্থের বড় অংশ গেছে অস্ত্র নির্মাতা, সামরিক ঠিকাদার, গোয়েন্দা প্রযুক্তি ও যুদ্ধের সরবরাহ ব্যবস্থার পেছনে। যুদ্ধ যত ছড়িয়েছে সামরিক বাজারও তত বড় হয়েছে।
কিন্তু মানুষের হিসাব আরও ভয়ংকর। আফগানিস্তান, ইরাক, পাকিস্তান, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ যুদ্ধক্ষেত্রগুলোতে সরাসরি ও পরোক্ষ মৃত্যুর সংখ্যা ৪৫ থেকে ৪৭ লাখ বলে অনুমান করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটি। ঘরছাড়া হয়েছেন ৩৮ মিলিয়নের বেশি মানুষ।
আর যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরেও পৃথিবী পাল্টে গেছে। পরবর্তী বছরগুলোতে বিমানবন্দরে জুতা-বেল্ট খোলা, পানি, ক্রিম ও লোশন বহনে কড়াকড়ি, শরীর স্ক্যান এবং যাত্রী তালিকা যাচাই, এসব হয়ে উঠেছে বিমানযাত্রার পরিচিত দৃশ্য। ফোন, ই-মেইল, আর্থিক লেনদেন, সীমান্ত, অভিবাসন, সবকিছুর ওপর প্রশাসনের চোখ আরও গভীর হয়েছে। মুসলিম নাম, আরব চেহারা কিংবা দক্ষিণ এশীয় পরিচয়ও বহু মানুষের জন্য নতুন সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সবচেয়ে বড় সামাজিক মূল্যগুলোর একটি দিতে হয়েছে মুসলিমদের। FBI-এর হিসাবে, ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষী hate crime-এর ঘটনা ছিল মাত্র ২৮টি। ২০০১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮১টিতে, বৃদ্ধি ১,৬০০ শতাংশের বেশি। মসজিদ আক্রান্ত হয়েছে, আরব ও দক্ষিণ এশীয় মানুষ হামলার শিকার হয়েছেন, এমনকি পাগড়ি পরা শিখদেরও মুসলিম ভেবে হত্যা ও আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে।
এক সকালে নিউইয়র্কের দুটি টাওয়ার ভেঙে পড়েছিল। তারপর যুদ্ধ শুরু হয়েছে, আইন বদলেছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা বেড়েছে, কোটি মানুষের জীবন ওলটপালট হয়েছে। যে ওসামা বিন লাদেন সোভিয়েতবিরোধী আফগান যুদ্ধে নেতা হয়ে উঠেছিলেন, যে যুদ্ধের অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল যুক্তরাষ্ট্র, শেষ পর্যন্ত তাঁর নামই ব্যবহার হলো আরও এক দীর্ঘ ও বিস্তৃত যুদ্ধে।
পঁচিশ বছর পর Ground Zero-তে এখন স্মৃতিসৌধ। টুইন টাওয়ার নেই। বিন লাদেনও নেই। কিন্তু সেই সকালের পর যে পৃথিবীর জন্ম হয়েছিল, আমরা এখন সেই পৃথিবীতেই বাস করছি।
তথ্যসূত্র:
9/11 Commission Report
ProPublica
Brown University







