জর্ডানসহ চার দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

তেহরান, ২ সেপ্টেম্বর – জর্ডান, ইরাক, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। মঙ্গলবার রাতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এসব হামলা পরিচালনা করে। দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
আইআরজিসি জানিয়েছে, জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হ্যাঙ্গার লক্ষ্য করে ভারী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। এতে কয়েকটি মার্কিন ড্রোন ধ্বংস ও কারিগরি অবকাঠামোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া জর্ডানের ক্যাম্প তিতিনে মেরিন সেনাদের ব্যারাকেও হামলার দাবি করেছে তারা।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ও জর্ডান কর্তৃপক্ষ এই হামলায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির তথ্য অস্বীকার করেছে। জর্ডান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের ছোড়া অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। ইরাকের এরবিল প্রদেশেও মার্কিন মেরামত কেন্দ্র ও নজরদারি সরঞ্জাম লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান।
আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, একটি জ্বালানি ট্যাংকে অগ্নিকাণ্ডসহ বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। কুয়েত ও বাহরাইনেও একই ধরনের ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। কুয়েত সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
ইরানি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপারেশন থান্ডার এর অংশ হিসেবে বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতে রাডার ও সেনা মোতায়েন এলাকায় ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ ইরানের হরমোজগান প্রদেশের সিরিকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়েছে বলে তেহরান দাবি করেছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরান পুনরায় আঘাত হানলে এর পাল্টা ব্যবস্থা আরও কঠোর হবে।
এস এম/ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬







