ওজন কমাতে শুধু কম খাওয়া নয়: আসল চাবিকাঠি লুকিয়ে বিপাকহারের সঠিক ব্যবহারে

সামাজিক মাধ্যমের রকমারি ডায়েট চার্ট দেখে হঠাৎ করেই অনেকে খাবারের পরিমাণ এক ধাক্কায় অর্ধেক করে দেন। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, না খেয়ে বা ভুলভাবে খাবার কমিয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা উল্টো শরীরের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। কারণ সবার শারীরিক গঠন ও বিপাকক্রিয়া (Metabolism) এক নয়। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ‘কতটা খাচ্ছেন’ তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ‘কী খাচ্ছেন, কখন খাচ্ছেন এবং আপনার বিপাকহার কেমন’।
সুস্থভাবে ওজন কমানোর কার্যকর উপায়
পাতে প্রোটিনের প্রাধান্য: হঠাৎ কম খাওয়ার বদলে খাবারের গুণগত মানের দিকে নজর দিন। প্রোটিন হজম করতে শরীরের বেশি ক্যালোরি ও শক্তির প্রয়োজন হয়, যা বিপাকক্রিয়াকে দীর্ঘ সময় সক্রিয় রাখে।
পর্যাপ্ত পানি পান: পানি শূন্যতা বিপাকহার কমিয়ে দেয়। নিয়মিত পানি পানের পাশাপাশি ভারী খাবার খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে পানি পান করার অভ্যাস তৈরি করুন।
শারীরিক সক্রিয়তা ও শরীরচর্চা: নির্দিষ্ট সময় প্রশিক্ষকের পরামর্শে হাই-ইনটেনসিটি (HIIT) শরীরচর্চার পাশাপাশি সারা দিন শারীরিক নড়াচড়া বজায় রাখুন। একটানা বসে কাজ না করে প্রতি ঘণ্টায় কিছুক্ষণ হেঁটে আসুন।
পর্যাপ্ত ঘুম: নিয়মিত ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে বিপাকপ্রক্রিয়া সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা স্থূলতা ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় শরীরে কর্টিসল ও বিটাট্রফিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে, যা বিপাকক্রিয়ার গতি ধীর করে দেয়। তাই নিজেকে মানসিক চাপমুক্ত রাখা জরুরি।
খাবার সম্পূর্ণ বন্ধ না করে সঠিক পুষ্টি, শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের সঠিক সমন্বয়েই মিলবে টেকসই ফলাফল।
এনএন/ ২৮ আগস্ট ২০২৬









