খালি পেটে ব্ল্যাক কফি পান কি স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ?

সকালে এক কাপ ব্ল্যাক কফি ছাড়া অনেকেরই দিন শুরু হয় না। এটি কেবল অলসতা কাটায় না বরং কাজে মনোযোগী হতেও দারুণ সহায়তা করে। তবে খালি পেটে ব্ল্যাক কফি পানের অভ্যাসটি সবার জন্য একরকম নয়। বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে এটি তেমন নেতিবাচক প্রভাব না ফেললেও নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এটি শারীরিক অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ব্ল্যাক কফি প্রকৃতিগতভাবেই অ্যাসিডিক। পাকস্থলীতে খাবার না থাকলে এই পানীয় অ্যাসিডের প্রভাব বাড়িয়ে দেয়। ফলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি থাকা ব্যক্তিদের জন্য এটি ক্ষতিকর হতে পারে। কফি পাকস্থলীকে উত্তেজিত করে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরির মাধ্যমে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি সৃষ্টি করে। এ ছাড়া ক্যাফেইন অন্ননালীর পেশীকে শিথিল করে দেয় যা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে।
২০২২ সালে নিউট্রিয়েন্টস সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী কফি পাকস্থলীর অ্যাসিড ও গ্যাস্ট্রিন হরমোন উৎপাদনে উদ্দীপনা জোগায়। যদিও সব ক্ষেত্রে এটি পেপটিক আলসারের ঝুঁকি বাড়ায় না তবে ব্যক্তিভেদে এর প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। বিশেষ করে যাদের জিইআরডি বা গ্যাস্ট্রাইটিসের মতো সমস্যা রয়েছে তাদের খালি পেটে কফি পানের ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি।
তবে যারা কফি সহ্য করতে পারেন তাদের জন্য এটি উপকারীও হতে পারে। চিনি বা দুধহীন ব্ল্যাক কফিতে ক্যালোরি থাকে নামমাত্র। এটি মানসিক স্বচ্ছতা বাড়াতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে।
চিকিৎসকদের মতে কফি পানের পর যদি নিয়মিত অ্যাসিডিটি বা অস্থিরতা দেখা দেয় তবে পানের সময় পরিবর্তন করা বা খাবারের সাথে কফি খাওয়া উত্তম।
এনএন/ ২৫ আগস্ট ২০২৬









