অতিরিক্ত ইয়ারবাড ব্যবহারে বাড়ছে শ্রবণশক্তি হারানোর ঝুঁকি: সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

যাতায়াত, শরীরচর্চা কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ইয়ারবাডের ব্যবহার এখন প্রতিদিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ইয়ারবাড ব্যবহার শ্রবণশক্তির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বয়ে আনতে পারে।
ইয়ারবাড ব্যবহারের প্রধান ঝুঁকি মূলত এর শব্দের মাত্রা ও ব্যবহারের স্থায়িত্বের ওপর নির্ভর করে। সাধারণ স্পিকারের চেয়ে ইয়ারবাড কানের পর্দার অনেক কাছে থাকায় শব্দের তীব্রতা সরাসরি কানের ভেতরে আঘাত হানে।
দীর্ঘ সময় উচ্চ শব্দের সংস্পর্শে থাকলে অন্তঃকর্ণের শ্রবণগ্রাহী কোষগুলো স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যা সাধারণত আর পুনরায় তৈরি হয় না।
গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে দুই ঘণ্টার বেশি ইয়ারফোন ব্যবহারের ফলে শ্রবণশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে যারা কোলাহলপূর্ণ স্থানে উচ্চ ভলিউমে গান শুনতে অভ্যস্ত, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি চার গুণ বেশি।
শ্রবণস্বাস্থ্য বজায় রাখতে বিশেষজ্ঞরা ৬০/৬০ নিয়ম অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন। যার অর্থ হলো ডিভাইসের সর্বোচ্চ শব্দের ৬০ শতাংশের বেশি না শোনা এবং একটানা ৬০ মিনিটের বেশি ব্যবহার না করা। এছাড়া ব্যবহারের মাঝে নিয়মিত বিরতি নেওয়া এবং ইয়ারবাডের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা কানকে সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।
এনএন/ ১২ আগস্ট ২০২৬









