২০২৬ সালে ইউক্রেনকে ৭০ বিলিয়ন ইউরো সামরিক সহায়তা দেবে ন্যাটো

কিয়েভ, ৪ জুলাই – ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তায় বড় ধরনের প্রতিশ্রুতি দিতে যাচ্ছে ন্যাটো। ২০২৬ সালে দেশটিকে ৭০ বিলিয়ন ইউরো সামরিক সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা করেছে জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলো। আগামী ৭ ও ৮ জুলাই তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে জোটের নেতারা এই ঘোষণা দেবেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার ন্যাটো রাষ্ট্রদূতদের অনুমোদিত একটি খসড়া ঘোষণাপত্রে এই তথ্য উঠে এসেছে যা পরবর্তীতে জোটের শীর্ষ নেতাদের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে। খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী ২০২৬ সালের পর ২০২৭ সালেও অন্তত একই পরিমাণ সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি থাকবে।
এই ঘোষণাপত্রে ন্যাটোর অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী যৌথ প্রতিরক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে কোনো এক সদস্য দেশের ওপর হামলা হলে তা পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। শক্তিশালী ন্যাটোর মাধ্যমে ইউরোপীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এই নতুন ঘোষণাপত্রে ইউরোপীয় দেশগুলো এবং কানাডাকে জোটের নিরাপত্তায় আরও বেশি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার স্বার্থে ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র না থাকা এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও খসড়ায় স্থান পেয়েছে। এদিকে যুদ্ধের ময়দানে কৌশলগত সাফল্যের দাবি করেছে রাশিয়া।
রুশ সেনাবাহিনী ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর কস্তিয়ানতিনিভকা দখল করেছে বলে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে অবহিত করা হয়েছে। শুক্রবার একটি সামরিক কমান্ড পোস্ট পরিদর্শনকালে শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এই তথ্য জেনে শহরটির দখলকে গুরুত্বপূর্ণ বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেন পুতিন।
তিনি রাশিয়ার নিরাপত্তা বলয় আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তবে রাশিয়ার এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এস এম/ ৪ জুলাই ২০২৬









