ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসার ফি নির্ধারণ অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের

ওয়াশিংটন, ৯ জুন – এইচ-১বি ভিসার আবেদনের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক নির্ধারিত এক লাখ ডলারের ফি সংক্রান্ত নিয়মকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।
আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন যে বিদেশি বিশেষজ্ঞ কর্মীদের নিয়োগের জন্য মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে এই ভিসা প্রক্রিয়া ব্যবহার করে আসছে। এই প্রক্রিয়ায় হুট করে নতুন কোনো কড়াকড়ি বা নিয়ম আরোপ করার আইনি এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের নেই।
ডিস্ট্রিক আদালতের বিচারক লিও সোরোকিন রায়ে উল্লেখ করেন যে কেন্দ্রীয় অভিবাসন নীতিতে এ ধরনের বড় কোনো পরিবর্তন বা ফি আরোপের ক্ষমতা কেবলমাত্র কংগ্রেসের রয়েছে। তিনি এই ফি-কে এক প্রকার ট্যাক্স হিসেবে অভিহিত করে বলেন যে এইচ-১ বি ভিসার ওপর কোনো ট্যাক্স বা কর আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের নেই।
উল্লেখ্য যে বিচারক লিও সোরোকিন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন। স্থানীয় সময় সোমবার ৪২ পৃষ্ঠার এক দীর্ঘ রায়ে তিনি এই সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি ছিল যে মার্কিন কোম্পানিগুলো প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত এইচ-১ বি ভিসা ব্যবহার করছে এবং এর ফলে বিদেশের বিশেষজ্ঞ কর্মীরা বেশি আসার সুযোগ পাচ্ছেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় নাগরিকরা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে চাকরি পাচ্ছেন না বলে তিনি মনে করতেন। এ কারণেই তিনি এই ভিসার ওপর এক লাখ ডলার ফি আরোপ করেছিলেন।
গত বছর ট্রাম্প এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ডিসেম্বরে বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন ডেমোক্র্যাটিক স্টেটগুলোর অ্যাটোর্নি জেনারেলরা।
সাধারণত এইচ-১ বি ভিসার মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষিত ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ ক্ষেত্রগুলোতে কাজ করার আবেদন করতে পারেন এবং এর মেয়াদ সর্বোচ্চ ছয় বছর পর্যন্ত হতে পারে।
এনএন/ ৯ জুন ২০২৬









