
কানাডার রাজনীতিতে অনেক সময় একটি স্থানীয় মনোনয়ন লড়াই শুধু একটি আসনের প্রার্থী বাছাইয়ে সীমাবদ্ধ থাকে না। কখনো কখনো সেটি হয়ে ওঠে দলীয় গণতন্ত্রের পরীক্ষা, নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের আড়ালের লড়াই এবং ভোটারদের আস্থার ওপর বড় প্রশ্নচিহ্ন। স্কারবরো সাউথওয়েস্টে অন্টারিও লিবারেল পার্টির সাম্প্রতিক মনোনয়ন বিতর্ক ঠিক এমনই এক ঘটনা। এখানে পরাজিত হয়েছেন একজন পরিচিত ফেডারেল এমপি, বিজয়ী হয়েছেন তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত কিন্তু সংগঠনিকভাবে শক্তিশালী এক প্রার্থী, আর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে একটি দল, যারা দীর্ঘ রাজনৈতিক বিপর্যয়ের পর আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।
স্কারবরো সাউথওয়েস্টে অন্টারিও লিবারেল মনোনয়ন লড়াইয়ে ফেডারেল লিবারেল এমপি নেট এরস্কাইন স্মিথ ব্যবসায়ী আহসানুল হাফিজের কাছে মাত্র ১৯ ভোটে পরাজিত হন। পরাজয়ের পর তিনি ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে আপিল করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ভোটের হিসাবে ৩৪টি ব্যালট বেশি পাওয়া গেছে এবং ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের ক্ষেত্রে অনিয়ম ঘটেছে। তবে অন্টারিও লিবারেল পার্টির তিন সদস্যের সালিশি প্যানেল তাঁর আপিল খারিজ করে দিয়েছে। প্যানেলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এমন কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি, যা ফলাফলকে প্রভাবিত করেছে বা ভোটের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার মতো ছিল।
এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে আপাতত আহসানুল হাফিজের মনোনয়ন বৈধতা পেলেও বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত এখানেই শেষ হচ্ছে না। বরং এ ঘটনা অন্টারিও লিবারেল পার্টির ভেতরের শক্তির ভারসাম্য, নেতৃত্বের আসন্ন প্রতিযোগিতা এবং স্কারবরো সাউথওয়েস্ট উপনির্বাচনের কৌশলকে নতুন আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
এরস্কাইন স্মিথের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ভোটের সংখ্যা ও ভোটার তালিকার মধ্যে পার্থক্য। তাঁর দাবি ছিল, নিবন্ধিত ভোটারের তুলনায় ৩৪টি বেশি ব্যালট রেকর্ড করা হয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ভাষায় এমন অভিযোগ গুরুতর। কারণ ভোটের ব্যবধান যদি অল্প হয় এবং সন্দেহজনক ব্যালটের সংখ্যা সেই ব্যবধানকে ছাড়িয়ে যায়, তাহলে ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
কিন্তু সালিশি প্যানেল এ পার্থক্যকে অনিয়ম হিসেবে দেখেনি। প্যানেলের মতে, এটি ছিল মূলত রেকর্ড রাখার ত্রুটি। অর্থাৎ কিছু যোগ্য ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় কেটে দেওয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। ফলে ব্যালটের সংখ্যা ও তালিকার হিসাবের মধ্যে ব্যবধান তৈরি হয়। প্যানেল আরও বলেছে, এরস্কাইন স্মিথ প্রমাণ করতে পারেননি যে ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল না, এমন কেউ ভোট দিয়েছেন।
এখানেই দলীয় মনোনয়ন ও সাধারণ নির্বাচনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য সামনে আসে। সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের নিয়ম অনেক বেশি কঠোর ও আইনগতভাবে সংরক্ষিত। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়া একটি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা। সেখানে নিয়ম থাকে, আপিলের সুযোগ থাকে, কিন্তু দলীয় কাঠামোর ভেতরে রিটার্নিং অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কিছু প্রশাসনিক বিবেচনার সুযোগও থাকে। প্যানেল তাদের সিদ্ধান্তে কার্যত সেটিই বলেছে।
আহসানুল হাফিজের বিজয় শুধু একজন প্রার্থীর জয় নয়। এটি স্থানীয় সংগঠন, কমিউনিটি নেটওয়ার্ক এবং মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক প্রস্তুতির সাফল্য হিসেবেও দেখা হচ্ছে। স্কারবরো সাউথওয়েস্ট একটি বহুজাতিক, শ্রমজীবী, অভিবাসী এবং মধ্যবিত্ত মানুষের এলাকা। এখানে রাজনীতি শুধু দলীয় পরিচয়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে না। প্রার্থী কতটা স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য, কমিউনিটির সঙ্গে তাঁর সংযোগ কতটা গভীর এবং ভোটারদের কাছে তিনি কতটা পরিচিত, সেসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।
এরস্কাইন স্মিথ একজন পরিচিত ফেডারেল রাজনীতিক। তিনি ২০১৫ সাল থেকে টরন্টোর বিচেস ইস্ট ইয়র্ক আসনের এমপি হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। অন্যদিকে আহসানুল হাফিজ স্থানীয় ও দলীয় সংগঠনের ভেতর থেকে উঠে আসা প্রার্থী। মনোনয়ন লড়াইয়ের ফলাফল দেখিয়েছে, বড় নাম সব সময় মাঠের সংগঠনের শক্তিকে অতিক্রম করতে পারে না।
এখানে আরও একটি রাজনৈতিক বার্তা আছে। স্কারবরো সাউথওয়েস্টের মতো এলাকায় প্রার্থীর স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা বড় বিষয়। বাইরে থেকে এসে কোনো আসনকে নেতৃত্বের সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করার ধারণা স্থানীয় রাজনীতিতে অনেক সময় বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। এরস্কাইন স্মিথের বিরোধীরা এমন অভিযোগই তুলেছিলেন যে তিনি এই আসনকে প্রাদেশিক নেতৃত্বের পথে একটি ধাপ হিসেবে দেখছেন। এই ধারণা কতটা বাস্তব, তা আলাদা বিতর্কের বিষয়; কিন্তু মনোনয়ন ফলাফলে স্থানীয় সংবেদনশীলতার প্রভাব অস্বীকার করা কঠিন।
এই পরাজয়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রভাব পড়তে পারে নেট এরস্কাইন স্মিথের ব্যক্তিগত ভবিষ্যতের ওপর। তিনি অন্টারিও লিবারেল পার্টির নেতৃত্বের সম্ভাব্য শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। ২০২৩ সালের নেতৃত্ব প্রতিযোগিতায় তিনি বনি ক্রম্বির পরে শক্তিশালী দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। ফলে তাঁর আবার নেতৃত্ব প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে দলীয় মহলে আলোচনা ছিল।
স্কারবরো সাউথওয়েস্টে তাঁর পরিকল্পনা ছিল কুইন্স পার্কে প্রবেশের একটি পথ তৈরি করা। প্রাদেশিক রাজনীতিতে সরাসরি উপস্থিতি নেতৃত্বের দাবিকে শক্তিশালী করত। কিন্তু মনোনয়নেই পরাজয় তাঁর সেই পরিকল্পনায় বড় বাধা তৈরি করেছে। কানাডিয়ান প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মনোনয়ন না পাওয়ার পর তাঁর নেতৃত্বে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে গেছে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
রাজনীতিতে নেতৃত্বের লড়াই শুধু জনপ্রিয়তা দিয়ে হয় না। সেখানে প্রয়োজন সংগঠন, দলীয় আস্থা, মাঠপর্যায়ের কাঠামো এবং সঠিক সময় নির্বাচন। এরস্কাইন স্মিথ জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত মুখ হলেও অন্টারিও লিবারেল পার্টির অভ্যন্তরীণ শক্তির মানচিত্রে তিনি কতটা গ্রহণযোগ্য, এই মনোনয়ন পর্ব সেই প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে।
এই বিতর্ক অন্টারিও লিবারেলদের জন্য একটি অস্বস্তিকর প্রশ্নও তুলেছে। রাজনৈতিক দলগুলো যখন গণতন্ত্রের কথা বলে, তখন তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াও বিশ্বাসযোগ্য হতে হয়। মনোনয়ন সভা যদি বিতর্কিত হয়, তাহলে সাধারণ ভোটারের কাছে দলীয় স্বচ্ছতার দাবি দুর্বল হয়ে যায়।
তবে প্যানেলের সিদ্ধান্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা আছে। তারা বলেছে, অভিযোগ যথেষ্ট গুরুতর হলেও প্রমাণের ভার অভিযোগকারীর ওপর। শুধু হিসাবের অসামঞ্জস্য থাকলেই ফলাফল বাতিল করা যায় না। প্রমাণ করতে হয়, অনিয়ম এমন ছিল যা ফলাফল বদলে দিতে পারত। এই যুক্তি কানাডার নির্বাচনী আইনের বৃহত্তর নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্যানেল তাদের বিশ্লেষণে বাস্তবতা, প্রমাণ এবং ফলাফলের ওপর সম্ভাব্য প্রভাবকে গুরুত্ব দিয়েছে।
এটি রাজনৈতিকভাবে লিবারেল পার্টির জন্য স্বস্তির সিদ্ধান্ত হলেও জনমনে প্রশ্ন পুরোপুরি মুছে যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। কারণ দলীয় তদন্তে দলীয় প্যানেলের সিদ্ধান্তকে বিরোধীরা সহজেই রাজনৈতিক আত্মরক্ষার ভাষ্য হিসেবে তুলে ধরতে পারে।
প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড ইতিমধ্যে এই বিতর্ককে লিবারেলদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, লিবারেলরা যদি একটি মনোনয়নই ঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারে, তাহলে তারা সরকার চালাবে কীভাবে। এ ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে তীক্ষ্ণ, কারণ এটি প্রশাসনিক সক্ষমতা ও দলীয় শৃঙ্খলা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলে।
অন্টারিও লিবারেল পার্টি ২০১৮ সালের ভয়াবহ নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর দীর্ঘদিন তৃতীয় শক্তি হিসেবে পড়ে ছিল। ২০২৫ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে তারা ১৪টি আসন পেয়ে আবার সরকারি দলীয় মর্যাদা ফিরে পায়। এখন যখন তারা ফোর্ডের প্রগ্রেসিভ কনজারভেটিভদের বিরুদ্ধে জনমত জরিপে নতুন গতি খুঁজছে, তখন এমন অভ্যন্তরীণ বিতর্ক দলটির জন্য রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিকর হতে পারে।
রাজনীতিতে প্রতিপক্ষের দুর্বলতা অনেক সময় নিজের শক্তির চেয়ে বেশি কার্যকর হয়। ফোর্ডের দল যদি লিবারেলদের অগোছালো, বিভক্ত ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে জর্জরিত হিসেবে তুলে ধরতে পারে, তাহলে স্কারবরো সাউথওয়েস্টের স্থানীয় বিতর্ক প্রাদেশিক প্রচারণার বড় প্রতীকে পরিণত হতে পারে।
স্কারবরো সাউথওয়েস্ট আসনটি সাম্প্রতিক সময়ে কানাডার রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। প্রাদেশিকভাবে এটি দীর্ঘদিন নিউ ডেমোক্র্যাটদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। ডলি বেগম এখান থেকে অন্টারিও এনডিপির এমপিপি ছিলেন। পরে তিনি ফেডারেল রাজনীতিতে গিয়ে লিবারেল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। তাঁর পদত্যাগের ফলে প্রাদেশিক আসনটি শূন্য হয় এবং উপনির্বাচনের পথ তৈরি হয়।
এই আসন লিবারেলদের জন্য শুধু একটি উপনির্বাচন নয়। এটি টরন্টোর অভিবাসী অধ্যুষিত এলাকার রাজনৈতিক মনোভাব বোঝার একটি পরীক্ষা। এখানে লিবারেলরা জিততে পারলে তারা দাবি করতে পারবে, শহুরে বহুজাতিক ভোটব্যাংকে তাদের পুনরুত্থান বাস্তব। আর হেরে গেলে প্রশ্ন উঠবে, দলীয় পুনর্গঠনের ভাষ্য এখনো মাঠে শক্ত ভিত্তি পায়নি।
লিবারেলদের সামনে এখন দুই চ্যালেঞ্জ। প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো দলীয় ঐক্য ফিরিয়ে আনা। আহসানুল হাফিজ এখন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হলেও এরস্কাইন স্মিথের সমর্থকদের মন জয় করা সহজ হবে না। মাত্র ১৯ ভোটের ব্যবধান একটি মনোনয়ন লড়াইকে পরাজয় ও বিজয়ের বাইরে নিয়ে যায়। সেখানে থাকে ক্ষোভ, সন্দেহ এবং রাজনৈতিক আঘাতের অনুভূতি। হাফিজকে এখন শুধু সাধারণ ভোটারের কাছে নয়, দলীয় ভেতরের বিরূপ অংশের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে হবে।
দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হলো বিতর্কের বর্ণনা বদলে দেওয়া। লিবারেলরা চাইবে বিষয়টি শেষ হয়ে গেছে বলে দেখাতে। কিন্তু রাজনীতিতে কোনো বিতর্ক শেষ হয় তখনই, যখন নতুন কোনো ইতিবাচক গল্প সেটিকে ঢেকে দেয়। স্কারবরো সাউথওয়েস্টে তাদের এখন দ্রুত স্থানীয় ইস্যু, প্রার্থী পরিচিতি, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, জননিরাপত্তা, পরিবহন এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে প্রচারণায় মনোযোগী হতে হবে।
এই ঘটনার সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, আধুনিক কানাডীয় রাজনীতিতে দলীয় মনোনয়ন আর ছোটখাটো সাংগঠনিক বিষয় নয়। বিশেষ করে বড় শহরের বহুজাতিক আসনে মনোনয়ন লড়াই এখন ক্ষমতার পূর্বাভাস, নেতৃত্বের রিহার্সাল এবং কমিউনিটি প্রভাবের মাপকাঠি হয়ে উঠেছে।
নেট এরস্কাইন স্মিথের আপিল খারিজ হওয়ায় দলীয় প্রক্রিয়ার দিক থেকে বিষয়টির আপাত নিষ্পত্তি হয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক দিক থেকে এর প্রতিধ্বনি আরও কিছুদিন থাকবে। আহসানুল হাফিজের সামনে এখন নিজেকে শুধু মনোনয়ন বিজয়ী নয়, বরং স্কারবরো সাউথওয়েস্টের গ্রহণযোগ্য জননেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চ্যালেঞ্জ। আর অন্টারিও লিবারেল পার্টির সামনে প্রশ্ন, তারা কি এই বিতর্ক পেছনে ফেলে ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে পারবে, নাকি একটি স্থানীয় মনোনয়ন লড়াই তাদের পুনরুত্থানের গল্পে দীর্ঘ ছায়া ফেলবে?
শেষ পর্যন্ত এই ঘটনা মনে করিয়ে দেয়, গণতন্ত্রের শক্তি শুধু ব্যালটের সংখ্যায় নয়, ব্যালটের প্রতি মানুষের আস্থায়। দলীয় রাজনীতির ভেতরেও সেই আস্থা রক্ষা করা জরুরি। কারণ ভোটাররা শুধু কে জিতল তা দেখেন না, কীভাবে জিতল সেটিও মনে রাখেন।
তথ্যসূত্র:
CBC News (২৫ মে ২০২৬)
The Canadian Press (২৫ মে ২০২৬)
OLP Arbitration Committee Decision (২৫ মে ২০২৬)









