পাবনা

পাবনায় ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে ব্যাপক গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ৮

পাবনা, ০১ অক্টোবর – পাবনা শহরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পাবনা বাস টার্মিনাল বাজারের সামনে এ সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা।

তিনি জানান, ছাত্রলীগের মেহেদী ও সিফাত গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সম্প্রতি পাবনা মহিলা কলেজের সামনে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান এবং পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইফতে আরাফাত সিফাত গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়। সেই ঘটনায় দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুজনের অফিস পাশাপাশি। শনিবার রাত ১০টার দিকে মেহেদীর লোকজন সিফাতের অফিসের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশির ভাগই মেহেদী গ্রুপের লোকজন।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান সবুজ গণমাধ্যমকে বলেন, সিফাতের লোকজন মেহেদীর লোকজনের ওপর হামলা করেছে। তাদের মধ্যে আগে থেকেই ঝামেলা চলছিল। একাধিক বার সমাধান করলেও কয়েক দিন পর পর তারা ঝামেলায় জড়ায়।

তবে আগে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন পাবনা পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইফতে আরাফাত সিফাত। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইলে কথা বলছিলাম। এসময় হঠাৎ ২০-৩০ জন লোক নিয়ে মেহেদী আমার ওপর হামলা চালায়, গুলি করে। তবে আমি কোনো মতে প্রাণে রক্ষা পেয়েছি।

জানা গেছে, মেহেদী হাসান জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান সবুজের এবং ইফতে আরাফাত সিফাত জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর রাফিউল ইসলাম সীমান্তের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
আইএ/ ০১ অক্টোবর ২০২৩


Back to top button