‘হিম্মত থাকলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দেখাক’, বাবুলকে চ্যালেঞ্জ কল্যাণের

কলকাতা, ২০ নভেম্বর- বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র ৩৫৬ ধারা জারির ইঙ্গিতেরপাল্টা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বাবুলকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি বললেন, ”হিম্মত থাকলে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দেখাক বিজেপি।”
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,”কখনও অমিত শাহ বলছেন, কখনও রাজ্যপাল বলছেন, কখনও আবার বাবুল সুপ্রিয় বলছেন। রোজ রোজ একই কথা বলার কোনও মানে হয় না।হিম্মত থাকলে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দেখাক বিজেপি। তাদের সব কথার জবাব দেবে বাংলার মানুষ।”
শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গে ৩৫৬ ধারা কার্যকর করার ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও ক্ষমতায় আসেন তবে ধরে নিতে হবে তা পুলিশ, প্রশাসনের উপর প্রভাব খাটিয়েই হয়েছে। আমরা আশাবাদী কমপক্ষে ২০০ আসন পেয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসব। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসলে রাজ্যবাসী সবকিছুই পাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবিধানে বিশ্বাসী নন। মোকাবিলার রাস্তা আমাদের কাছে পরিষ্কার।” বাবুলের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস একশোর বেশি বিজেপি কর্মীকে খুন করেছে রাজ্যে।
এরপরই বাবুলের হুঁশিয়ারি, “সংবিধানে দাওয়াইয়ের ব্যবস্থা আছে। রাজ্য সরকার যেভাবে বাংলার মানুষের উপর সন্ত্রাস নামিয়ে আনছে তাতে কেন্দ্রের পক্ষে অসম্ভব নয় সেই পথে হাঁটা।”
কল্যাণের মতোই বাবুলের হুঁশিয়ারির জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের আরও এক সাংসদ সৌগত রায়। তাঁর কটাক্ষ, “বাবুল গানবাজনা নিয়ে থাকতেন। তাই তিনি রাজনীতির কিছুই বোঝেন না। বাবুলের কথার কোনও গুরুত্ব নেই। এসব কথা বলে তৃণমূলকে ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না।”
একই সঙ্গে প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ আরও বলেন, “উত্তরপ্রদেশে যখন একজন অপরাধী আটজন পুলিশকে গুলি করে মারে, তখন আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে না। ২০ বছরের দলিত তরুণীকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়, তখন আইনশৃঙ্খলা ভাঙে না? তুফানগঞ্জে বিসর্জনকে কেন্দ্র করে বিজেপি সমর্থকের মৃত্যু হলে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার অভিযোগ করা হয়। ৩৫৬ কার্যকর করতে হলে আগে উত্তরপ্রদেশে করা উচিত।”
সূত্র: কলকাতা২৪x৭
আর/০৮:১৪/২০ নভেম্বর









