সচেতনতা

পর্যাপ্ত ঘুমের জন্য করণীয়

জীবনের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি সময় মানুষ ঘুমিয়ে কাটায়। ঘুম থেকে উঠলে প্রথমে মনে হয় ফের শুয়ে পড়ি বিছানায়। আপনি লম্বা একটা ঘুম দেবার জন্য শুয়ে পড়লেন বিছানায়। কিন্তু ঘুম কিছুতেই আসছে না । বহু লোকেরই এ সমস্যা হয়েছে কোন না কোন সময়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খুব কম ঘুম বা খুব বেশি ঘুম কোনোটাই স্বাভাবিক নয়। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে চার থেকে নয় ঘণ্টা ঘুম স্বাভাবিক এবং ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুম হলো আদর্শ। দেখা গেছে, যারা নয় ঘণ্টা বা এর চেয়ে বেশি ঘুমান, তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই কম। ফলে তাদের মধ্যে রোগের প্রবণতা বেশি।

তবে, ভালো ঘুম হওয়ার জন্য যেটা সবচেয়ে বেশি দরকার তা হল ভালো ঘুমের পরিবেশ। ঘরের তাপমাত্রা, বিভিন্ন ধরনের গ্যাজেট রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার মূল কারণ। তবে, ঘুমানোর আগে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখলে ঘুম হয়ে উঠবে শান্তির।

বেড পিলো বা বালিশ:
সঠিক পিলো বা বালিশ নির্বাচন খুব জরুরি। বালিশ ঠিকঠাক এবং পরিচ্ছন্ন না হলে আপনার ঘাড়ে ব্যথা বা ত্বকের সমস্যা শুরু হয়ে যেতে পারে। তুলো কিংবা ফোমের নরম বালিশ বেছে নিন নিজের জন্য। নরম বালিশ আপনার মাথা, ঘাড় ও কাঁধকে আরামদায়ক অনুভূতি দেবে। ফলে ঘুম হবে শান্তির।

আই মাস্ক:
যাদের হাল্কা ঘুম সামান্য আলোতেও তাদের ঘুম ভেঙে যেতে পারে। আপনি তাদেরই একজন হলে আই মাস্ক বেছে নিন। বিশেষ করে যদি আপনাকে অন্য কারও সঙ্গে ঘর ভাগ করে নিতে হয় তা হলে আই মাস্ক আপনার চোখকে অযাচিত আলোর হাত থেকে রক্ষা করবে।

স্লিপ টি:
শোওয়ার সময় এক গ্লাস উষ্ণ পানীয় আপনার শরীরের ক্লান্তি ধুয়ে ঘুম নিয়ে আসতে পারে। তবে ক্যাফেইন যুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন। তুলসি, পিপারমিন্ট, অশ্বগন্ধার মত প্রাকৃতিক চা ভালো ঘুমের সহায়ক হতে পারে।

সিল্ক পিলোকেস:
সিল্ক পিলোকেস বা বালিশের কাভারে ঘুমোনোর অনেকগুলো ইতিবাচক দিক রয়েছে। সিল্কের কাভার ফ্রিজি চুলকে ম্যানেজ করে। এছাড়াও মুখের ত্বকের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে যাতে ঘেমে না যায়।

স্লিপ স্প্রে:
ঘুমটাকে প্রশান্তিময় করতে সুগন্ধি বা এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করতে পারেন। শোয়ার কক্ষ গুমোট হয়ে গেলে সুগন্ধি আপনার মনকে সতেজ করে দেবে। ভালো মতো একটা ঘুম দিতে আমরা যেটা ভাবি সুগন্ধি তার চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। ঘ্রাণটা লেবুজাতীয় হলে আরও ভালো হবে। এ বার তা হলে শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়ুন।

আর/০৮:১৪/০৮ অক্টোবর


Back to top button
🌐 Read in Your Language