পুষ্টি

হলুদমিশ্রিত দুধ পান করবেন কেন?

দুধ অনেক স্বাস্থ্যকরী একটি উপাদান এটি আমরা কম-বেশি সবাই জানি। কিন্তু খুব সহজেই এটিকে আরও বেশি স্বাস্থ্যকর করে তোলা যেতে পরে তা জানেন না অনেকেই।

অনেক যুগ আগে থেকেই হলুদ প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। আর শুধুমাত্র দুধের সঙ্গে উপকারি এ উপাদানটি মিশিয়ে নিয়ে পেতে পারেন দুধ ও হলুদের উপকারিতা এক সঙ্গেই। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে এবং মৌসুমি ঠাণ্ডা-জ্বর দূর করতেও অনেক উপকারি হতে পারে।

তাই আজ জানুন হলুদ দুধের ৫ স্বাস্থ্য উপকারিতা—

১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ
হলুধ দুধে কারকিউমিন থাকে যেটি হলুদে থাকা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। আর এটির কারণে তা আপনার কোষের ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে ও শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। এ ছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্টপূর্ণ খাবারগুলো আপনার সংক্রমণ ও রোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

২. জয়েন্টের ব্যথা কমায়
হলুদ দুধে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য থাকে। আর এ কারণে এটি অস্টিওআর্থারাইটিস ও রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস থেকে জয়েন্টের ব্যথা কমাতে সহায়তা করতে পারে।

৩. মস্তিষ্কের কার্যকরিতা উন্নত করে
হলুধ দুধে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্যেও অনেক উপকারি। এতে থাকা কারকিউমিন মস্তিষ্ক থেকে প্রাপ্ত নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর (বিডিএনএফ) এর মাত্রা বাড়াতে পারে। আর এ কারণে এটি আপনার মস্তিষ্ককে নতুন সংযোগ তৈরি করতে সাহায্য করে এবং মস্তিষ্কের কোষের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

৪. মেজাজ ভালো রাখে
হলুদ দুধ মস্তিষ্কের উন্নতি করে মেজাজ ভালো রাখতেও অনেক উপকারী। এতে থাকা কারকিউমিন নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর (বিডিএনএফ) এর মাত্রা বাড়াতে পারে বলে তা বিষন্নতার লক্ষণ হ্রাস করে বলে মিলেছে গবেষণায়।

৫. হৃদরোগে উপকারী
সারা বিশ্বেই এখন অন্যতম একটি মৃত্যুর কারণ হয়ে উঠেছে হৃদরোগ। আর হলুদ দুধ আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে। এতে হলুদ মেশানোর কারণে তাতে থাকা কারকিউমিন আপনার রক্তনালীর আস্তরণের কার্যকারিতা উন্নত করতে পারে যা এন্ডোথেলিয়াল ফাংশন হিসাবেও পরিচিত। আর সঠিক এন্ডোথেলিয়াল ফাংশন হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

এম ইউ

Back to top button