উত্তর আমেরিকা

ইসরায়েলিদের পক্ষ নিয়েই কথা বললেন বাইডেন

ওয়াশিংটন, ১৩ মে – পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েলি আগ্রাসন নয় বরং ইসরায়েলি অত্যাচারের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের দেয়া পাল্টা জবাবে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কপালে। এ নিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম।

ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি ইস্যুতে কিছুদিন আগেই বাইডেন প্রশাসনের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেছিলেন, নতুন প্রেসিডেন্টের দুর্বলতার কারণেই তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েল হামলার শিকার হচ্ছে।

ট্রাম্প জানান, তার শাসনামলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বজায় ছিল। এর মূল কারণ তখন ইসরায়েলের শত্রুরা জানতো যে, যুক্তরাষ্ট্র শক্তভাবে ইসরায়েলিদের পাশে রয়েছে আর তারা হামলার শিকার হলে মোক্ষম জবাব দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, বাইডেনের আমলে বিশ্ব ক্রমেই সহিংস এবং অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। এর কারণ বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের দুর্বলতা এবং ইসরায়েলের প্রতি সমর্থনের অভাব। বাইডেনের এই নীতি আমাদের মিত্রদের নতুন হামলার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

সাবেক এ প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই সবসময় ইসরায়েলের পাশে থাকা উচিত এবং এটি পরিষ্কার বুঝিয়ে দিতে হবে যে, ফিলিস্তিনিদের অবশ্যই সহিংসতা, সন্ত্রাস ও রকেট হামলা বন্ধ করতে হবে। এটি পরিষ্কার করতে হবে যে, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারকে সবসময় শক্তভাবে সমর্থন করবে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের ২৪ ঘণ্টা যেতে না যেতেই তার সঙ্গে সুর মেলালেন জো বাইডেন। উপরন্তু ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছে সরাসরি ফোন করে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

পশ্চিমতীরে চলমান সহিংসতা প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইসরায়েলের দিকে হাজার হাজার রকেট ছোড়া হলে তা থেকে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে ইসরায়েলের।

গতকাল বুধবার (১২ মে) হোয়াইট হাউস প্রকাশিত এক বিবৃবিতে জানানো হযেছে, নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে জো বাইডেন ‘স্থায়ী শান্তি পুনরুদ্ধারে’ উৎসাহ দিয়েছেন। পাশাপাশি, ইসরায়েলের নিরাপত্তা এবং তার জনগণকে রক্ষার ‘বৈধ অধিকারের’ প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অটল সমর্থনের কথা জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জেরুজালেম এবং তেল আবিবের বিরুদ্ধে হামাস ও অন্য ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর’ রকেট হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জো বাইডেন। বিভিন্ন ধর্মের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জেরুজালেমের মতো শহর অবশ্যই শান্তিপূর্ণ থাকতে হবে, এমন বিশ্বাসের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

সংবাদ মাধ্যম জানায়, ওই বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি অধিবাসীদের বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

সূত্র : ইত্তেফাক
এন এইচ, ১৩ মে


Back to top button
🌐 Read in Your Language