সৌদি আরবের সাবেক তেলমন্ত্রী ইয়ামানির মৃত্যু

ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি – সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের তেলমন্ত্রী আহমেদ জাকি ইয়েমেনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
মঙ্গলবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিন। কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সৌদির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে তা প্রকাশ করা হয়নি। পবিত্র শহর মক্কায় তাকে দাফন করা হবে। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে সৌদির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে তা প্রকাশ করা হয়নি। পবিত্র শহর মক্কায় তাকে দাফন করা হবে।
১৯৭৩ সালে তেল সংকটের সময় তিনি সৌদি আরবের নেতৃত্ব দেন। দেশটির তেল কোম্পানি তার হাত ধরেই জাতীয়করণ হয়েছে। পশ্চিমা-ধাঁচের ব্যবসায়িক স্যুট পরার জন্য তার পরিচিত ছিল। কথা বলতেন অত্যন্ত নরম ভাষায়। পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক প্রতিষ্ঠায় সৌদি আরবের আধিপত্য বিস্তারে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিলেন।
সংগঠনটিতে সৌদি আরব এখনো সেই ধারা বহাল রেখেছে। তেল শিল্পে সৌদি আরবের সিদ্ধান্তই সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তারি হয়।
আরও পড়ুন : ইরাকের গ্রিন জোনে আবারও রকেট হামলা!
১৯৬২ সালে ইয়েমেনে প্রথম তেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি এই পদে বহাল ছিলেন। ১৯৬১ সালে ওপেকের বোর্ড অব গভর্নরসে তিনিই প্রথম সৌদি প্রতিনিধি ছিলেন।
১৯৩০ সালে মক্কায় জন্ম নেয়া ইয়েমেনির বাবা ও দাদা ছিলেন ধর্মীয় শিক্ষক। কিন্তু তিনি নিউইয়র্ক ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। দুবার বিয়ে করেছেন এবং বহু সন্তান-সন্ততি রেখে গেছেন।
১৯৭৫ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় তেল উৎপাদক দেশগুলোর জোট ওপেকের এক বৈঠক থেকে ইয়ামানিও অন্যান্য দেশের তেলমন্ত্রীদের সঙ্গে কার্লোস দ্য জ্যাকেল নামে পরিচিত ভেনেজুয়েলান সন্ত্রাসবাদী ইলিচ রামিরেজ সানচেজের হাতে অপহৃত হয়েছিলেন।
মার্জিত আচরণ ও দাড়ির কারণে সুপরিচিত ইয়ামানি ২৪ বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদক সৌদি আরবের তেল সংক্রান্ত বিষয় সামলেছেন; ১৯৭০-র দশকের ওই ‘তেল ধাক্কা’ তাকে দুনিয়াজুড়ে সেলিব্রেটিতে পরিণত করেছিল।
অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ানোর এক ব্যর্থ চেষ্টার পর ১৯৮৬ সালে তাকে মন্ত্রীর পদ থেকে আকস্মিকভাবে বরখাস্ত করা হয়। ব্যর্থ ওই কৌশল সৌদি আরবের তেল নীতিতেও ছায়া ফেলেছিল।
সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ২৪ ফেব্রুয়ারি









