জাতীয়

যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে দেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র আশুরা

ঢাকা, ২৬ জুন – যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদার মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার সারাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হচ্ছে। ইসলামী ইতিহাসে দিনটি একই সঙ্গে আনন্দ, কৃতজ্ঞতা এবং কারবালার শোকাবহ স্মৃতির দিন হিসেবে ১০ মহররম পালিত হয়। বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মানুষেরা নানা ধর্মীয় কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করছেন।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। দিনটি উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আশুরা শব্দের অর্থ দশম এবং মহররম মাসের ১০ তারিখে দিনটি পালিত হয় বলে একে আশুরা বলা হয়ে থাকে।

ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী এই দিনে হজরত মুসা (আ.) ও তার অনুসারীরা ফেরাউনের নির্যাতন থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। এই মহান ঘটনার স্মরণে শুকরিয়াস্বরূপ নফল রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ হিসেবে গণ্য হয়। নবী করিম (সা.) নিজেও এই দিনে রোজা রাখতেন এবং উম্মতদের রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে ইহুদিদের সঙ্গে সাদৃশ্য এড়াতে আশুরার আগে বা পরে আরও একটি রোজা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ইতিহাসের কালপরিক্রমায় ৬১ হিজরির এই দিনে ইরাকের কারবালা প্রান্তে মহানবী (সা.) এর দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (রা.) তার পরিবার ও সঙ্গীদের নিয়ে শাহাদাতবরণ করেন।

দিনটির এই শোকাবহ স্মৃতি স্মরণে শিয়া সম্প্রদায় পুরান ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাজিয়া মিছিল ও শোক পদযাত্রার আয়োজন করেছে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে উল্লেখ করেছেন যে আশুরার শিক্ষা মানুষকে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে অনুপ্রেরণা জোগায়। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে।

এস এম/ ২৬ জুন ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language